ভাইরাল অডিও ঘিরে আলিপুরদুয়ারে রাজনৈতিক ত রজা! বিধায়ক–জেলা সভাপতিকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ, নস্যাৎ বিজেপি নেতৃত্বের।
ফোনালাপে আ র্থিক লে নদেন ও ‘বোঝাপড়া’র অভিযোগ—‘প্রমাণ আছে’ দাবি সম্রাটের, ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিলেন পরিতোষ–মিঠু!

নিজস্ব সংবাদ দাতা, দ্যা ফোর্থ কলাম, আলিপুরদুয়ার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ :-
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ফোনালাপের অডিওকে কেন্দ্র করে আলিপুরদুয়ারের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। ভাইরাল অডিওটিতে বিজিএমসি-র রাজ্য পদাধিকারী সম্রাট শর্মা চৌধুরী এবং আলিপুরদুয়ারের বিজেপি বিধায়ক পরিতোষ দাসের মধ্যে উত্ত প্ত কথোপকথন শোনা যাচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে ভাইরাল অডিওটির সত্যতা The 4th Column স্বাধীনভাবে যাচাই করেনি।
ঘটনার সূত্রপাত প্রা ণনাশের হুম কির অভিযোগে এক ব্যক্তির গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে বলে জানা যাচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে কাজল দাস নামে এক ব্যক্তিকে আলিপুরদুয়ার থানার পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে বিধায়ক পরিতোষ দাসকে ফোন করেন সম্রাট শর্মা চৌধুরী বলে দাবি।
ভাইরাল কথোপকথনে বিজেপির জেলা সভাপতি মিঠু দাসকে ঘিরেও আ র্থিক লেনদেন ও অনৈতিক বোঝাপড়ার অভিযোগ তুলতে শোনা যাচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই অভিযোগগুলির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য প্রমাণ এই মুহূর্তে প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।
“পাগলের প্রলাপ বলে ” অভিযোগ সম্পূর্ণ নস্যাৎ করেছেন বিধায়ক পরিতোষ দাস। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের মন্তব্য ভিত্তিহীন এবং তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তবে ফোনালাপের বিষয়টি তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন ।
অন্যদিকে জেলা সভাপতি মিঠু দাসের দাবি, সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সঙ্গে বিজেপির কোনও সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই এবং তাঁর বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ অমূলক।
সম্রাট শর্মা চৌধুরী অবশ্য তাঁর অভিযোগে অনড় থেকে দাবি করেছেন, তাঁর কাছে প্রমাণ রয়েছে। ফলে ভাইরাল অডিও এবং পাল্টা বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা আরও জোরালো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চে আলিপুরদুয়ারে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে পরিতোষ দাসের নাম ঘোষণার পর দলের একাংশের বিক্ষোভের খবর প্রকাশিত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে বিধায়ক পদে জয়লাভ করেন পরিতোষ বাবু । সেক্ষেত্রে তাঁর বিরুদ্ধে সম্রাটের তরফে এই অভিযোগ এবং তাদের মধ্যকার কথোপকথন ঘিরে ইতিমধ্যেই অস্বস্তির বাতাবরণ তৈরি হয়েছে আলিপুরদুয়ারে । পাশাপাশি , বিজেপির আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি মিঠু দাসের নামেও সম্রাটের এই বিষোদগার ঘিরে শুরু হয়েছে ফিসফাস গুঞ্জন ।
The 4th Column | যেটা সত্য সেটাই খবর
**প্রকাশের পরই ভারতে সম্প্রচার বন্ধের অভিযোগ
The 4th Column-এ এই খবর প্রকাশের পরই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পোর্টালের দাবি, প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার কিছু সময়ের মধ্যেই ভারতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই খবরের সম্প্রচার বা অ্যাক্সেস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ঠিক কী কারণে এবং কার নির্দেশে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
The 4th Column-এর পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে—একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বক্তব্য বা অভিযোগ নিয়ে আপত্তি থাকলে তার জবাব দেওয়ার সুযোগ রয়েছে; কিন্তু সংবাদটির প্রচারই বন্ধ হয়ে গেলে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাধারণ মানুষের তথ্য জানার অধিকার নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। পোর্টালের অভিযোগ, যদি রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই সংবাদটির সম্প্রচার বন্ধ করা হয়ে থাকে, তবে তা ‘গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ’-এর শামিল।
তবে কোন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে, কোন আইনি বা প্ল্যাটফর্ম নীতির ভিত্তিতে এই সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে—সেই সংক্রান্ত কোনও আনুষ্ঠানিক নথি The 4th Column-এর হাতে না আসা পর্যন্ত বিষয়টি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।