Buxa Tiger Reserve https://the4thcolumn.com Sat, 15 Jan 2022 18:35:25 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=5.7.2 161066102 বক্সা বাঘ বনে শুরু বাঘ-সুমারী : শুক্রবার থেকে শুরু লাইন-ট্রানসেক্ট এবং সাইন সার্ভে : হবে হাতি সুমারীও | The4thcolumn https://the4thcolumn.com/desk-apd-btr-tiger-census/ https://the4thcolumn.com/desk-apd-btr-tiger-census/#respond Sat, 15 Jan 2022 18:35:25 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=19842 নিজস্ব প্রতিবেদক, আলিপুরদুয়ার, ১৫ জানুয়ারি:

বক্সা ব‍্যাঘ্র প্রকল্পের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে শুক্রবার থেকে শুরু হল লাইন ট্রানসেক্ট এবং সাইন সার্ভে। এটি বাঘ শুমারির একটি অংশ । বক্সা ব‍্যাঘ্র প্রকল্পের ডেপুটি ফিল্ড ডাইরেক্ট প্রবীণ কাশোয়ান জানান, এই সমীক্ষার উদ্দেশ্য হল বক্সা ব‍্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে বিভিন্ন বন‍্যপ্রাণীর ঘনত্ব চিহ্নিত করা এবং সেইসঙ্গে বনের কোন কোন অঞ্চলে বাঘ, হাতি, গাউর, লেপার্ড, হাতি, বার্কিং ডিয়ার ইত্যাদি বন‍্যপ্রাণীর প্রজাতি রয়েছে তা খুঁজে বের করা।

লাইন ট্রানসেক্ট এবং সাইন সার্ভে একই সাথে সমস্ত রেঞ্জ এবং বিটে ছয় দিন ধরে চলবে। প্রায় আশিটি দল এই সমীক্ষার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছে। এই সমীক্ষাটি সম্পূর্ণ মোবাইল আ্যপ্লিকেশনে করা হবে, যা বিশেষভাবে জাতীয় বাঘ সংরক্ষণ কতৃপক্ষ দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এবার বাঘ শুমারির সঙ্গে হাতি শুমারিও হবে। তাদের বিষ্ঠা সংগ্ৰহ করে ডিএনএ বিশ্লেষণের ভিত্তিতে হাতি শুমারি করা হবে।

]]>
https://the4thcolumn.com/desk-apd-btr-tiger-census/feed/ 0 19842
বক্সা বনাঞ্চলের গ্রামগুলোকে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা : এলাকাবাসীর সাথে আলোচনায় রাজ্য বনদফতর | The4thcolumn https://the4thcolumn.com/desk-desh-plans-to-rehabilitate-buxa-forest-villages/ https://the4thcolumn.com/desk-desh-plans-to-rehabilitate-buxa-forest-villages/#respond Fri, 17 Dec 2021 08:48:34 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=19273 নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ১৭ ডিসেম্বর’২১:-

আগামী কয়েকমাসের মধ্যে বক্সা ব্যাঘ্র সংরক্ষণ বনাঞ্চলে গড়ে ওঠা ছোট ছোট গ্রামগুলোকে অন্যত্র সরানোর পরিকল্পনা করছে রাজ্যের বনদফতর। পাশাপাশি সেইসব এলাকাবাসীকে কেন্দ্রের নির্ধারিত আর্থিক প্যাকেজও পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বনদফতরের তরফে।

হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত? তার উত্তরে বনাধিকারিকরা জানিয়েছে, আমরা সকলেই জানি, দীর্ঘ কয়েক বছর পর বক্সার অরণ্যে দেখা মিলেছে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের। জঙ্গলের ভেতরে বসানো ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়েছে বাঘরাজের ছবি। কিন্তু পর পর দুটি ক্যামেরায় ছবি ধরা পড়লেও এখন সাক্ষাৎ দর্শন মেলেনি তাঁর। স্বচক্ষে বাঘের দর্শন এখনও পাননি বন দফতরের আধিকারিকরা। তাই সে কোথায় বিচরণ করছে তার হদিশ করতে পারছেননা বনকর্মীরা। কোনো ভাবে বনাঞ্চলে থাকা গ্রাম গুলিতে বাঘ ঢুকে পড়লে এলাকার বাসিন্দা ও বাঘ উভয়েরই কোনো রকম ক্ষতির আশঙ্কা এড়াতেই এধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এছাড়া চোরা শিকারীদের ভয় তো রয়েইছে।

উল্লেখ্য,দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর ধরেই বক্সার জঙ্গলে গ্রামের বাসিন্দারা বসবাস করছেন । ১৯৩৮ সালের আগে এই অঞ্চলে বনসৃজনের জন্যে কিছু মানুষকে আনা হয়। বক্সার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে  ভালোবেসে তারা আর তাদের পুরনো জায়গায় ফেরত যাননি। তারা এখানেই বাসস্থান শুরু করেন এবং এখানেই পরবর্তীতে তাদের পরিবার তৈরী হয়। ২০২১ সালের তথ্যানুযায়ী এখনো পর্যন্ত এই এলাকায় মোট ১৫টি গ্রাম রয়েছে, যার বাসিন্দার সংখ্যা প্রায় ৮০০০। এই মানুষগুলোকে বর্তমানে জঙ্গল থেকে অন্যত্র সরানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এই বিষয়ে রাজ্যের বন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়েছেন, ”আমরা জোর করে কাউকে উচ্ছেদ করতে পারিনা। সেটা আমাদের নীতিবিরুদ্ধ। বাঘ বা বন্যপ্রাণের সাথে মানুষের একটা কনফ্লিক্ট অবশ্যই থাকে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, গ্রামবাসীদের সাথে কথা বলে তাদের অন্যত্র সরানো হবে। পরিবর্তে আমরা প্যাকেজ, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করছি।”

ইতিমধ্যেই ১৫ টি গ্রামের মধ্যে ২ টি গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে কোথাও বলেছে বনদফতরের কর্মকর্তারা। তার মধ্যে একটি হলো ভুটিয়া বস্তি, যেখানে বসবাসরত প্রায় ৩০টি পরিবার। আর অন্যটি হলো গাঙ্গুটিয়া গ্রাম, যেখানে বসবাস করছে ২০১ টি পরিবার। এই দুই গ্রামবাসীর সাথে আলাপচারিতায় গাঙ্গুটিয়া ও ভুটিয়া বস্তির বাসিন্দাদের অন্যত্র সরানো সম্ভব হবে বলে আশাবাদী রাজ্য সরকার।

রাজ্যের বন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়েছেন, ”কেন্দ্রের বাঘ নিয়ে একাধিক প্রকল্প আছে। তার জন্যে কেন্দ্রীয় সরকার ফান্ড দেয়। যারা সাবালক হয়ে যায় তাদের ১৫ লক্ষ অর্থ দেওয়া হয়।” সেই ক্ষতিপূরণের সম্পূর্ণটা বস্তিবাসীদের হাতে এই মুহূর্তেই তুলে দিয়ে তাদের অন্যত্র শিফটিং এর বেপারে এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয় রাজ্য বনদফতর। তবে নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের অন্য স্থানে সরানোর প্রচেষ্টা শুরু করে দিয়েছে রাজ্য বনদফতর। এখনো পর্যন্ত রাজ্যের ধারণা ৪ মাসের মধ্যে এই শিফটিং সম্ভব হবে। এই পরিমান মানুষকে অন্যত্র সরানোর জন্যে রাজ্যের হাতে পড়ে থাকা ফাঁকা জমির খোঁজা চলছে। শিফটিং এর পর সেখানে চলে যেতে পারবেন বাসিন্দারা।

]]>
https://the4thcolumn.com/desk-desh-plans-to-rehabilitate-buxa-forest-villages/feed/ 0 19273
রমরমিয়ে চোরাইকাঠ চালান : বন দপ্তরের তৎপরতায় উদ্ধার কাঠ | the4thcoloumn https://the4thcolumn.com/desk-desh-the-timber-was-recovered-by-the-forest-department/ https://the4thcolumn.com/desk-desh-the-timber-was-recovered-by-the-forest-department/#respond Sat, 04 Dec 2021 07:10:03 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=19038 নিউজ ডেস্ক, দ‍্য ফোর্থ কলাম, ৪ ডিসেম্বর ‘২১:-

উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জঙ্গল ও বাগান এলাকায় রমরমিয়ে চলছে কাঠের চোরা কারবার। কালচিনি ব্লকের চিনচুলা চা বাগানের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে বক্সা ব‍্যাঘ্র প্রকল্পের পানা রেঞ্জ বন দফতরের দল বিপুল পরিমাণ চোরাই কাঠ উদ্ধার করেছে। চা বাগান ও সংলগ্ন নদী এলাকা থেকে প্রায় ৩৫ সিএফটি অবৈধ কাঠ জব্দ করেন তারা যার আনুমানিক বাজার মূল‍্য ১ লক্ষ‍ টাকা। তবে কাঠ উদ্ধার হলেও বনকর্মীদের দেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় চোরাকারবারিরা। বাগান থেকে কাঠ পাচার হচ্ছে এমনটাই খবর পেয়েছিলেন বিভাগীয় দল। এরপরই বনকর্মীদের তৎপরতায় পানা রেঞ্জের শঙ্কর কুমারের নেতৃত্বে অভিযান চালায় দল।

অন‍্যদিকে ধূপগুড়ির বানারহাট থানার হলদিবাড়ি চা বাগানের বরা লাইন, গির্জা লাইন, মসজিদ লাইন সংলগ্ন বাঁশঝাড় থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চোরাই কাঠ যার বাজার মূল‍্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা। মরাঘাট রেঞ্জার অফিসার জানান, “জঙ্গলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। লাগোয়া চা বাগান, বস্তি এলাকায় অভিযান চলছে। ” গোপনে খবর পেয়ে বনকর্মীদের কর্মসক্রিয়তার জন্যেই এই কাঠ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে একথা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু জঙ্গলের প্রতিটি কোণের খবর কি তারা পাচ্ছেন এটাই বড় প্রশ্ন !

]]>
https://the4thcolumn.com/desk-desh-the-timber-was-recovered-by-the-forest-department/feed/ 0 19038
বক্সায় ফের দেখা মিলল অতি বিলুপ্তপ্রায় ব্ল্যাক প্যান্থার : ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়েছে দুটি ছবি | The4th column https://the4thcolumn.com/desk-desh-buxa-tiger-reserve-black-panther/ https://the4thcolumn.com/desk-desh-buxa-tiger-reserve-black-panther/#respond Sat, 13 Nov 2021 15:19:56 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=18261 নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ১৩ নভেম্বর’২১:-

ফের ডুয়ার্সের বক্সা জঙ্গলে দেখা মিলল ব্ল্যাক প্যান্থারের। বক্সা ব‍্যাঘ্র প্রকল্পের, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বনদপ্তরের বসানো ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়েছে ব্ল‍্যাক প‍্যান্থরের দুটি ছবি। এর আগে দিনের আলোকে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জয়ন্তী থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে মহাকাল পাহাড়ে দেখা গিয়েছিল এই বিলুপ্তপ্রায় ব্ল্যাক প্যান্থারের। আবারও ট্র্যাপ ক্যামেরায় এই বিলুপ্তপ্রায় হিংস্র বন্যপ্রানের দেখা মেলায় খুশি বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের বনাধিকারিক ও বনকর্মীরা।

বক্সা ব্যাঘ্রপ্রকল্পের জঙ্গলে বাঘের দেখা না মিললেও এবার আবারও নিজেদের অস্বিত্বের প্রমান দিল ‘মেলানেস্টিক লেপার্ড’ বা ব্ল্যাকপ্যান্থার। বক্সা ব‍্যাঘ্র প্রকল্পের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বনদপ্তরের বসানো ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়েছে ব্ল‍্যাক প‍্যান্থরের দুটি ছবি। চলতি বছরের শুরুতে পর্যটকদের ক্যামেরায় দিনের আলোতে ধরা পড়েছিল এই ব্ল্যাক প্যান্থারের। সেই সময় দুটি ব্ল্যাক প্যান্থারের দেখা মিলেছিল বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জয়ন্তী থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে মহাকাল পাহাড়ে। ফের এই সংরক্ষিত জঙ্গলে দেখা মিলল এই হিংস্র জন্তুর। বন দপ্তরের দাবি, ওই ছবি থেকেই পরিষ্কার বক্সা পাহাড়ের জনমানবহীন দুর্গম এলাকায় ব্ল্যাক প্যান্থারের এর বসতি রয়েছে।

বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জিনগত কারণে এদের শরীরে লেপার্ড মতন হলদে ছোপের বদলে রয়েছে নিকষ কালো কালো ছোপ। জ্বলজ্বল করে ওঠে গাঢ় হলদে-সোনালী চোখ। গায়ের রঙ কালো হওয়ার দরুন প্রাকৃতিক কারণে দিনের আলোতে এরা কিছুতেই প্রকাশ্যে আসতে চায় না। এরা লেপার্ড তুলনায় অনেক বেশি হিংস্র। বন দপ্তরের দাবি, ওই ছবি থেকেই পরিষ্কার বক্সা পাহাড়ের জনমানবহীন দুর্গম এলাকায় ব্ল্যাক প্যান্থারের বসতি রয়েছে।

বন দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী উত্তরবঙ্গের পাঁচটি সংরক্ষিত জঙ্গল মহানন্দা অভয়ারণ্য, নেওড়াভ্যালি, গরুমারা, জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান এবং বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে ব্ল্যাকপ্যান্থারদের অস্তিত্ব রয়েছে। তবে বহুবছর পর বনদফতরের পাতা ট্র্যাপ ক্যামেরায় বক্সা জঙ্গলে দেখা মিলল ব্ল্যাক প্যান্থারের। এই ঘটনায় উচ্ছ্বসিত বনকর্তারাও। সাধারণত বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের দুর্গম এবং জনমানব শূন্য এলাকায় এদের দেখা মিলল। ওই এলাকাতেই বেশ কয়েক বছর ধরে নিয়মিত ভাবে ক্লাউডেড লেপার্ড ও এশিয়াটিক ব্ল্যাক বিয়ারের দেখা মিলছিল। এবার সেই তালিকায় নয়া সংযোজন ব্ল্যাকপ্যান্থার।

বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের উপক্ষেত্র অধিকর্তা প্রভীন কাশওয়ান বলেন, ২০২০ সাল থেকেই এদের বেশ কয়েকবার দেখা গিয়েছে ট্র্যাপ ক্যামেরায় ওঠা ছবির মাধ্যমে। বর্ষা শেষ হলেই বক্সার সংরক্ষিত এলাকায় বসানো হয় ট্র্যাপ ক্যামেরা। শীতকাতুরে এই অতিথিরা প্রতিবছর নেমে আসে ভুটান লাগোয়া বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে শিকারের লোভে। তবে দিনের বেলায় এদের দেখা পাওয়াটা সত্যিই দুষ্কর। এটা খুবই খুশির খবর। কারণ ব্ল্যাক প্যান্থাররা খুবই বিরল। বক্সার জঙ্গলে নিয়মিত ভাবে তাদের দেখা মিলছে ট্র্যাপ ক্যামেরার মাধ্যমে। এরফলে একটা বিষয় প্রমাণিত হয় যে, অবশ্যই বক্সার জঙ্গল ব্ল্যাক প্যান্থারের জন্য উপযুক্ত ও আদর্শ পরিবেশ। না হলে এই বন্য প্রানের দেখা মিলত না ডুয়ার্সের এই সংরক্ষিত জঙ্গলে। বক্সার জঙ্গলে ব্ল্যাক প্যান্থারদের অস্তিত্ব এখানকার জীব বৈচিত্র্যকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে বিশ্বাস বনদফতরের।

]]>
https://the4thcolumn.com/desk-desh-buxa-tiger-reserve-black-panther/feed/ 0 18261