নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ১৫ডিসেম্বর’২০২০:-

গোপনাঙ্গে রক্তের ছাপ, ধর্ষণ করে খুন।নাবালিকার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য গোটা এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে, পুরাতন মালদহের সোনাঝুরি গ্রামে। সূত্রের খবর, বুধবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ সোনাঝুরি গ্রামের কয়েকজন মহিলা জ্বালানির কাঠ ও শুকনো পাতা কুড়াতে আম বাগানে এসেছিলেন। তাঁরাই ওই নাবালিকার দেহটি আমবাগানের একটি ডালে ঝুলতে দেখেন। এরপরই গ্রামজুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে তদন্ত করতে যায় পুরাতন মালদহ থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যে বাগানে ওই নাবালিকার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে, সেই বাগানটি প্রায় আট ফুটের কংক্রিটের পাঁচিলে ঘেরা রয়েছে। কী করে ওই নাবালিকা এত উঁচু পাঁচিল টপকে বাগানের ভেতরে গেল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ওই বাগান মালিকের খোঁজ শুরু হয়েছে। পুরাতন মালদা থানার আইসি শান্তিনাথ পাঁজা জানিয়েছেন, সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মেয়েটির পরিচয় জানার চেষ্টা করছি আমরা। মৃত ওই নাবালিকার ঝুলন্ত দেহের পাঁশ থেকে একটি স্কুল ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে। তাতেই পুলিশের অনুমান, অজ্ঞাত ওই নাবালিকা স্কুল পড়ুয়া হতে পারে। ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সী ওই নাবালিকার পরনে কুর্তি এবং লেগিন্স ছিল। গোপনাঙ্গে রক্তের ছাপ দেখতে পেয়েছে তদন্তকারী পুলিশ অফিসারেরা। তবে ধর্ষণ করে খুন কিনা তা অবশ্য ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর পরিষ্কার করে জানানোর কথা বলেছে তদন্তকারী পুলিশ অফিসারেরা।
গৌড়বাংলা হিউম্যান রাইটস অ্যাওয়ারনেস্ সেন্টারের সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় দাস বলেন, মালদায় একের পর এক মহিলা খুনের ঘটনা ঘটছে। কোতোয়ালি তারপর মানিকচকে সম্প্রতি এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। আবার পুরাতন মালদায় ভাবুক গ্রামে এরকম ঘটনা ঘটলো। আমরা দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। গ্রাম পঞ্চায়েত এক সদস্যের স্বামী সোনাই হেমব্রম জানিয়েছেন, বুধবার সকালে নাবালিকার দেহ উদ্ধারের বিষয়টি জানতে পেরে এলাকায় যায়। দেখি ওই মেয়েটির নিচের অংশে রক্তের ছাপ রয়েছে। তাছাড়া বাগানের সীমানা পাচিল টপকে কিভাবে ওই মেয়েটি গেল পুলিশকে তদন্ত করে দেখা দরকার । এই এলাকার ফাঁকা নির্জন এবং চারপাশে ঘন আমবাগানে ঘেরা ।
