বোরোল্যান্ড দাবীর যবনিকা পতন : বিদ্রোহীদের সঙ্গে শর্তাধীন চুক্তি : হবে অস্ত্র সমর্পণ |The4thcolumn

নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম , ২৮ জানুয়ারি’২০২০ :-

বোরোল্যান্ড বলে পৃথক কোনো রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হচ্ছে না । তবে এখন থেকে অসমের বোরো জনগোষ্ঠীকে একগুচ্ছ আর্থিক এবং রাজনৈতিক সুবিধা প্রদান করা হবে । এই শর্তে সোমবার আসামের অন্যতম অন্যতম বিদ্রোহী দল ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট অফ বোরোল্যান্ড (এনডিএফবি) এর সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত সরকার ।

১৯৭২ সাল থেকে পৃথক বোরোল্যান্ড রাষ্ট্রের জন্য আন্দোলন চালিয়ে আসা দল অল বোডো স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (এবিএসইউ) এবং ইউনাইটেড বোরো পিপলস অর্গানাইজেশন নামে পরিচিত অন্য আরেকটি দলও এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী ছিল।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল, এনডিএফবির চারটি উপদলের শীর্ষ নেতৃত্ব, এবিএসইউ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্ম সম্পাদক সত্যেন্দ্র গার্গ এবং আসামের মুখ্যসচিব কুমার সঞ্জয় কৃষ্ণ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই চুক্তিটিকে “ঐতিহাসিক” বলে বর্ণনা করেছেন এবং এটি বোরো জনগণের কয়েক দশকের পুরনো সমস্যার স্থায়ী সমাধান আনবে বসে তিনি মনে করছেন । “এই চুক্তি বোরো অঞ্চলের সর্বাত্মক উন্নয়নের সুবিধে করবে, তাদের ভাষা ও সংস্কৃতি আসামের আঞ্চলিক অখণ্ডতার সাথে আপস না করে সুরক্ষিত হবে,” অমিত শাহ বলেছিলেন ।

অসমের অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব সরমা বলেছেন, চুক্তি অনুসারে এনডিএফবিভুক্ত ১,৫৫০ জঙ্গি ৩০ শে জানুয়ারী অস্ত্র রাখবে, আগামী তিন বছরে ₹১৫০০ কোটি টাকার অর্থনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে যেখানে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের প্রত্যেকেের ₹৭৫০ কোটি টাকার সমান অবদান থাকবে । তিনি আরও বলেন, বোরোল্যান্ড টেরিটোরিয়াল কাউন্সিলের (বিটিসি) বিদ্যমান কাঠামো আরও জোরদার করা হবে এবং এর আসনগুলি ৪০ থেকে বাড়িয়ে ৬০ করা হবে । বোরো অধ্যুষিত গ্রামগুলিকে বিটিসিতে অন্তর্ভুক্ত করা এবং যেখানে বোরো সংখ্যাগরিষ্ঠ নয় তাদেরকে বাদ দেওয়ার জন্য একটি কমিশন গঠন করা হবে ।

Leave a Reply

error: Content is protected !!