নিজস্ব প্রতিবেদক,ধূপগুড়ি,৪ নভেম্বর’১৯:-

একদা জঙ্গিদলে নাম লেখানো , পরবর্তীতে সিপিএমের আশ্রিত এবং অধুনা শাসকদলের বদান্যতায় গ্রাম্য স্তরের পদপ্রাপ্ত এক তৃণমূল নেতার দাদাগিরির বিরুদ্ধে পথে নামলো ধূপগুড়ি প্রেস ক্লাব। সোমবার জলপাইগুড়ির ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে স্মারক লিপি দেওয়া হলো জলপাইগুড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডেনডুপ শেরপা ও ধূপগুড়ি থানার আই সি সুবির কর্মকার মারফৎ জেলা পুলিশ সুপার কে। এদিন এই স্মারকলিপি পেশ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ধূপগুড়ি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সপ্তর্ষী সরকার, রনি চৌধুরী, কৌস্তুভ ভৌমিক সহ আরো অনেকে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,জলপাইগুড়ি পতাকাটা এলাকায় পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সামনেই মারধর করা হয় সাংবাদিক দের ছিনিয়ে নেওয়া হয় ক্যামের, মোবাইল ফোন, ক্যামেরার মেমোরি কার্ড। তার প্রতিবাদেই মাঠে নেমেছেন উত্তরের সমস্ত সংবাদ মাধ্যম প্রতিনিধিরা ।
সূত্র জানায়, সম্প্রতি বারোপাটিয়া অঞ্চলের ঘোষ পাড়ায় এশিয়াডে সোনা জয়ী স্বপ্না বর্মনের বাড়িতে প্রতিবেশির সাথে বিবাদের জেরে এক সালিশি সভার আয়োজন করা হয়।সবাইকে চমকে দিয়ে সেই সালিশি সভায় উপস্থিত হন ডিএসপি হেডকোয়ার্টার প্রদীপ সরকার ও কোতোয়ালি থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার।আর সেখানেই খবর করতে গিয়ে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আক্রান্ত হয়েছিলেন। তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাস পুুুলিশের সামনেই দলবল সহ সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ,এমনকি স্থানীয় গ্রামবাসীদের গন্ডগোল বাধানোর প্ররোচনাও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপর সাংবাদিকদের কাজের সমালোচনা করে জাতীয় সড়ক অবরোধ এবং শহরের কদমতলা মোড়ে সাংবাদিকদের কুশপুতুল দাহ করে উক্ত তৃণমূল নেতার অনুগামী লোকজন।
সোমবার, এই ঘটনার প্রতিবাদে ধূপগুড়ি প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে,জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপারকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গ্রামীন ডেনধুপ শেরপার মাধ্যমে স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হলো।
ধূপগুড়ি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সপ্তর্ষি সরকার ও রনি চৌধুরী বলেন”যেভাবে জেলার পদস্থ পুলিশ অফিসারদের সামনে সাংবাদিক দের হেনস্থা করা হলো সেটা গণতন্ত্রের পক্ষে লজ্জার ও নিন্দনীয়।ওই নেতা এর আগেও পঞ্চায়েত ভোটের সময় তার পেশি শক্তির আস্ফালন ঘটিয়েছে।তখনও সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া হয়েছিলো।তাই আমরা আজ প্রশাসনের কাছে অভিযুক্ত ওই নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন জানালাম। আমরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও এই একই বিষয়ে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছি।