নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ৭নভেম্বর’১৯ :-

বিজেপি যত উঠছে , ততই রণ নীতি পাল্টে পাল্টে নিচ্ছে তৃণমূল । চলছে ঘর গোছানোর পালা । লোকসভার বিপর্যয় যাতে আসন্ন বিধান সভায় কোনো ভাবেই প্রভাব বিস্তার না করে ,তা রুখতে দলীয় ক্ষণে ক্ষণেই স্ট্র্যাটেজিক পরিবর্তন করে চলেছে মমতা ব্যানার্জির দল । দলের পরিকাঠামো নিয়ে চলছে নিরন্তর পরীক্ষা নিরীক্ষা । আদি তৃণমূলীদের যেমন উঠিয়ে আনা হয়েছে দায়িত্বের পুরোভাগে । তেমনি যারা পরে দলে এসে রাশ ধরে ছিলেন ,তারাও যাতে ‘অভিমানে ‘ সরে না যান ,সে চেস্টারও বিরাম নেই । বৃহস্পতিবার , তেমনই এক সিদ্ধান্তের পাশা ফেললেন তৃণমূল সুপ্রীমো মমতা ব্যানার্জি । ডুয়ার্সের কোণঠাসা(তৃণমূলের কাছে) দুই জেলা , আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ির সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে “বিশেষ দায়িত্ব ভার” তুলে দিলেন দুই পোড় খাওয়া রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের চওড়া কাঁধে । আলিপুরদুয়ারের “বিশেষ দায়িত্বে” থাকবে বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তীর এবং জলপাইগুড়ির এই “বিশেষ দায়িত্ব” থাকছে মন্ত্রী গৌতম দেবের । জেলা কমিটির ঠিক মাথায় ( ভুললে চলবে না যে জেলা সভাপতি দুই জেলাতেই রয়েছেন ) এই দুই শীর্ষ নেতাকে বসিয়ে সংগঠনকে যাতে নতুন -পুরোনো , মানী-অভিমানী , মঞ্চে উপবিষ্ট -অনুপবিস্ট , সকল ধরনের ছোট বড় মেজ নেতা কর্মীদের দিয়ে আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে ফেলা যায় , সে চেষ্টাই করছেন মমতা , এমন বিশ্লেষণই করছে ডুয়ার্সের রাজনীতি ওয়াকিবহাল মহল ।
সূত্রের খবর , এদিন কলকাতার তৃণমূল ভবনে সৌরভ ও গৌতম’কে এই দুই জেলার সংগঠন মজবুত করতে “বিশেষ দায়িত্ব” তুলে দেন মমতা । এখন অবধি এই পদের কোনো নামকরণ করা না হলেও , জেলা সভাপতি উপরেই যে এই “বিশেষ দায়িত্ব ” পদ ভার অবস্থান করবে , তা জলের মতো পরিষ্কার ।
তৃণমূল সূত্রে খবর , সৌরভ ও গৌতম , এই দুজনকেই আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ির দুই জেলা সভাপতি মৃদুল গোস্বামী ও কৃষান কল্যাণী’কে সর্বত্র সহায়তা করতে বলে দিয়েছেন মমতা । আসন্ন বিধান সভা যাতে কোনোভাবেই হাত ছাড়া না হয় সে নিয়েও স্পষ্ট জানিয়েছেন মমতা । এবং এই “বিশেষ দায়িত্ব’ পেয়ে দুজনেই সর্বশক্তি দিয়ে দুই জেলায় ঝাঁপিয়ে পড়বেন বলে দুরাভাষ মাধ্যমে জানিয়েছেন “দ্য ফোর্থ কলাম”কে ।