নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ০৫ডিসেম্বর’১৯:-

ফের ধর্ষণ করে খুন করার পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো যুবতীর দেহ। এবার ঘটনার পুনরাবৃত্তি রাজ্যের মালদহের কোতোয়ালি থানার ধানতলা গ্রামে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সকালে জমিতে কাজ করতে যাওয়ার সময় কয়েকজন মানুষ পোড়া ওই অর্ধনগ্ন যুবতীর দেহ দেখতে পায়। এরপরই গ্রামজুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। খবর দেওয়া হয় ইংরেজবাজার থানার পুলিশকে। প্রথমে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ যায় ঘটনাস্থলে। এরপর পৌঁছয় মহিলা থানার পুলিশ ও ডিএসপি প্রশান্ত দেবনাথ। ঘটনাস্থলে যান পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া। তাঁর উপস্থিতিতেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, তরুণীর পরিচয় এখনও জানা যায়নি। ইতিমধ্যেই তরুণীর পরিচয় ও অভিযুক্তদের সন্ধান পেতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির দাবিতে সরব মালদহের বাসিন্দারা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃত ওই যুবতীর বয়স ২০ থেকে ২২ বছর। প্রাথমিকভাবে অবিবাহিত বলেই মনে করা হচ্ছে। মৃতদেহের পাশ থেকে এক জোড়া পুরুষের জুতো সহ কিছু দেশলাই কাঠি উদ্ধার হয়েছে। ঘন আমবাগানের মধ্যেই দেহটি পড়েছিল। উপর থেকে নিচ পর্যন্ত আগুনে ঝলসানো অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে দেহটি। মৃতদেহটি কেরোসিন তেল ঢেলে পড়ানো হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। মৃত ওই যুবতীর দেহের গোপনাঙ্গ এবং স্পর্শকাতর জায়গায় আঘাতের চিহ্ন দেখে মনে করা হচ্ছে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়ে থাকতে পারে ওই যুবতীকে। তারপরে প্রমাণ লোপাটের জন্য আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় রীতিমতো স্তম্ভিত কোতোয়ালি এলাকার বাসিন্দারা। এবিষয়ে গৌড় বাংলা হিউম্যান রাইটস আওয়ার্নেস সেন্টারের সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় দাস বলেন, এই ধরনের ঘটনা কখনোই বরদাস্ত করা যায় না। অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং নিন্দাজনক ঘটনা । অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।
