নিজস্ব প্রতিবেদক, আলিপুরদুয়ার, ৩ ডিসেম্বর’১৯ :-

প্রশ্নের মুখে জলদাপাড়া বনবিভাগ । অভিযোগ , তদন্তের মনে মানসিক উৎপীড়ন করায় আত্মঘাতী হয়েছে এক মামলাধীন অভিযুক্ত ব্যক্তি । ঘটনায় আঙ্গুল উঠেছে জলদাপাড়া বন প্রশাসনের দিকে। যদিও , অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বন মহলের বক্তব্য , তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তকে জেরা জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে । অপরদিকে , বন বিভাগের দ্বারা মানসিক নিপীড়নের অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মঘাতী হয়েছেন রব তুলে সোচ্চার হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা রা । মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক মৃত্যু ঘিরে আপাতত থমথমে পরিস্থিতি এলাকাজুড়ে ।
সূত্রের খবর , এক অভিযুক্ত চোরাশিকারীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল জলদাপাড়া। মঙ্গলবার সন্ধায় শালকুমারহাটের নতুনপাড়ার বাসিন্দা সাত্তার মিয়ার(৫০) ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয় বাড়ির পাশে।অভিযোগ, গত ৩১ অক্টোবর জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের উত্তর রেঞ্জের পঞ্চাশ ফুট বিটে গন্ডার হত্যার তদন্তে নেমে ওই ব্যক্তির উপর মানসিক নির্যাতন শুরু করেছিলেন বনাধিকারিকরা।মৃতদেহ উদ্ধারের পর গ্রামবাসীরা ওই দেহ নিয়ে শালকুমারহাটের জলদাপাড়ার প্রবেশ দ্বারে তুমুল বিক্ষোভ দেখান।জলদাপাড়া বনবিভাগের ডিএফও কুমার বিমল জানিয়েছেন “তদন্তের স্বার্থে এক জন অভিযুক্ত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার অধিকার আমাদের আছে।মানসিক নির্যাতনের প্রশ্নই ওঠে না।” উল্লেখ করা যেতে পারে, সাত্তার মিয়া ২০১৬ সালে জলদাপাড়ায় গন্ডার হত্যা মামলার মূল আসামী ছিলেন।ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে তিনি জেলও খেটেছিলেন।আপাতত ওই ব্যক্তি জামিনে মুক্ত ছিলেন।