নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ২৭ আগস্ট’১৯:-

যানজটে ঘণ্টা খানেকের রাস্তা পার হতে সময় লাগছে চার পাঁচ ঘণ্টা যেন বেড়ে গিয়েছে ধূপগুড়ি থেকে জেলা শহর জলপাইগুড়ির চল্লিশ কিলোমিটার দূরত্ব। রাস্তার কাজ চলছে এবং ভাঙাচোরা রাস্তার জন্য যানজটে নাজেহাল অবস্থা হচ্ছে সাধারণ যাত্রী এবং গাড়ি চালকদের। জাতীয় সড়কের এই অবস্থায় সবথেকে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে মুমুর্ষ রোগী নিয়ে যাতায়াতকারী অ্যাম্বুলেন্স চালকদের। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতাল এবং বানারহাট স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে আশঙ্কাজনক এবং মুমূর্ষু রোগীদের রেফার করা হয় জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতাল এবং সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে। কিন্তু জাতীয় সড়কের বেহাল দশার কারণে রোগীদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মালবাজার সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল বা বীরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। রাস্তা ঠিক না হওয়া পর্যন্ত বীরপাড়া বা মালবাজারে রেফার করলে সুবিধা হয় এম্বুলেন্স চালকদের। যদিও জলপাইগুড়ি যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া ১২০০ টাকা হলেও মালবাজার যেতে সেই ভাড়া ১১০০ এবং বীরপাড়া হলে ৯০০ টাকা নিচ্ছেন চালকরা। ধূপগুড়ি ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সব্যসাচী মন্ডল জানিয়েছেন, ‘খারাপ অবস্থা হলেই কাউকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার প্রয়োজনেই রেফার করা হয়। সেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ে না পৌঁছালে পরিস্তিতি আরো খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু জলপাইগুড়ি জাতীয় সড়কের যে অবস্থা তাতে সুস্থ লোকেরাই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। এছাড়া যানজটে আটকে পড়ার ভয়েই রোগীদের বীরপাড়া বা মালবাজারে রেফার করা হচ্ছে।’