নিউজ ডেস্ক , দ্য ফোর্থ কলাম, ৭ডিসেম্বর’১৯ :-

দুদিন আগেই প্রবল দলীয় বিরোধিতার মুখে পড়েছিলেন তিনি
। ‘স্বেচ্ছাচারিতা’র ধুয়ো তুলে পরিকল্পিত ভাবেই তার অপসারণ চাইছিলেন দলের বেশ কিছু বিক্ষুব্ধ কর্মী নেতা । কিন্তু দিনের শেষে , শেষ হাসি হাসলেন তিনিই । তার উপরেই জেলা আলিপুরদুয়ারের সংগঠনের শক্তিবৃদ্ধিতে ভরসা রাখল শীর্ষ বিজেপি নেতৃত্ব । বিজেপির আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মাকে পুনরায় সভাপতির পদে বহাল রাখলো বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব । গত পয়লা ডিসেম্বর আলিপুরদুয়ার জেলার কালচিনি ব্লকের সাতালি বিরসা মুন্ডা ময়দানে এক জনসভায় দাবি ওঠে গঙ্গা হটাও বিজেপি বাঁচাও । সেখানে আলিপুরদুয়ার জেলার বিভিন্ন মণ্ডল ও চা বাগান থেকে বেশ কিছু বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা ও কর্মী জমায়েত হয়েছিলেন । তাদের দাবি ছিল আলিপুরদুয়ার জেলার সভাপতি পদ থেকে গঙ্গা প্রসাদ শর্মা কে সরাতে হবে । তারা অভিযোগ করেছিলেন যে, গঙ্গা প্রসাদ নিজের মর্জি মতো দল চালাচ্ছেন এবং তৃণমূল নেতাদের সাথে তলে তলে যোগাযোগ রাখছেন । গঙ্গার অপসারণ না হলে বিক্ষুব্ধ বিজেপি কার্যকর্তারা বিধান সভা ভোটের আগে গন ইস্তফা দেবার হুমকিও দেয় । তারা এই ব্যাপারে বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব কে লিখিত দাবি পত্রও পাঠিয়েছিল ।কিন্তু সমস্ত বিরোধিতাকে সাইডে সরিয়ে রেখে পুনরায় বিজেপির আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি পদে আসীন হলেন গঙ্গা প্রসাদ শর্মা । রাজ্য নেতৃত্ব আগামী একুশের এর বিধান সভা ভোটের জন্য , আড়াই লক্ষ ভোটে আলিপুরদুয়ার লোকসভায় জয়ের কাণ্ডারীকেই বিধান সভা ভোটের সেনাপতি হিসেবে রেখে দিলেন । এবিষয়ে গঙ্গা প্রসাদ শর্মা জানান, রাজ্য নেতৃত্ব তার উপর ভরসা রাখায় তিনি হৃদয় থেকে রাজ্য নেতৃত্বের প্রতি ধন্যবাদ ব্যক্ত করেছেন । তিনি আরো বলেন আমি আমার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে সর্বশ্রেষ্ঠ ফলের চেষ্টা করবো ।আলিপুরদুয়ার লোকসভার অন্তর্গত সাত টি বিধান সভার সবকটি জিতবো । উল্লেখ করা যায় , আলিপুরদুয়ারের মাদারিহাট বিধান সভা আসনটি বর্তমানে বিজেপির দখলেই আছে । আর কালচিনি বিধানসভার বিধায়ক উইলসন চাম্প্রমারি তৃণমূল টিকিটে জিতলেও বর্তমানে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন । গঙ্গা প্রসাদের আমলে বিজেপির উত্থান এজ জেলায় অনস্বীকার্য এবং বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বও এটা জানে । আপাতত , একুশের লক্ষ্য সামনে রেখেই তার সমস্ত প্ল্যান কর্মসুবহী ,জানাতে ভোলেন নি দ্বিতীয়বার জেলা বিজেপির সভাপতির চেয়ারে বসা গঙ্গা প্রসাদ শর্মা ।
