জমানো টাকা ফেরত পাচ্ছেন না গ্রাহকরা : দুর্নীতির অভিযোগ আলিপুরদুয়ার মহিলা ঋনদান সমবায় সমিতিতে |The4thcolumn

নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ২৩ জানুয়ারি’২০২০ :-

দূর্নীতির অভিযোগ উঠল আলিপুরদুয়ার মহিলা ঋনদান সমবায় সমিতিতে। আলিপুরদুয়ার মহিলা ঋনদান সমবায় সমিতিতে লক্ষ লক্ষ টাকা রেখে সেই টাকা ফেরত পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করলেন ওই সমিতির গ্ৰাহকরা। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার সমবায় সমিতিতে টাকা না পেয়ে বিক্ষোভ দেখান কিছু গ্ৰাহক। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আলিপুরদুয়ার শহরজুড়ে। এমনকি সমবায় সমিতিতে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি করছেন গ্ৰাহকরা। সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান উপাসনা সেনগুপ্ত বলেন, “আমি দায়িত্ব নেবার আগেই অনেকে ঋন নিয়েছেন। সেই ঋন আস্তে আস্তে তোলা হচ্ছে। আমরা ঋন খেলাপিদের চিঠি দিচ্ছি। ঋনের টাকা আসতে থাকলেই গ্রাহকরা টাকা পেয়ে যাবেন”।
জানা গেছে, ২০০০ সালের ১৮ জানুয়ারি এই সমবায় সমিতির যাত্রা শুরু হয়েছিল। তারপর থেকে এজেন্ট নিয়োগ করে মূলত বাড়ি বাড়ি গিয়ে মহিলাদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে এই সমিতি। বর্তমানে এই সমবায়ের মোট আমানত প্রায় ৫ কোটি টাকা । কিন্তু এই মোট আমানতের মধ্যে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকাই ঋন দেওয়া হয়েছে বলে জানাগেছে। এই ঋনের টাকা শোধ করছে না ঋন নেওয়া ব্যক্তিরা বলে অভিযোগ। যার জেরে আমানত জমা রেখে তা ফেরত পাচ্ছেন না আমানতকারিরা। কিন্তু এভাবে টাকা তুলে সেই টাকা ঋনে খাটানোর কি কোন অনুমতি ছিল এই সংস্থার? অনুমতি থাকলেও তা নির্দিষ্ট আইন মেনে করা হয়েছে কি না তা নিয়েও বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
এই সমবায়ের এক গ্রাহক তনুশ্রী মুখার্জি বলেন, “এজেন্টের মাধ্যমে আমি এখানে টাকা জমা করেছি।ওই টাকা তুলতে গেলে সমিতির কর্মীরা দিচ্ছেন না।টাকা দেবার তারিখ দিয়েও তারা ঘোরাচ্ছেন। তাই এদিন আমাদের প্রাপ্য টাকা দেবার দাবিতে সমিতির অফিসে বিক্ষোভ দেখিয়েছি”।
আলিপুরদুয়ার মহিলা ঋনদান সমবায় সমিতির ম্যানেজার দীপ্তি চৌধুরী বলেন, “আমাদের সমিতির মোট যে আমানত তার নিরানব্বই শতাংশ টাকা ঋনদান করা হয়েছে। ওই ঋন নিয়েও শহরের কিছু মানুষ পরিশোধ করছে না। তাই সাধারণ গ্রাহকদের জমানো টাকাও আমরা ঠিকমতো দিতে পারছি না। বিষয়টি নিয়ে আমরা সমিতির নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবো”।

Leave a Reply

error: Content is protected !!