নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ২৮ জানুয়ারি’২০২০ :-

আলিপুরদুয়ারে বন্দুকের নতুন লাইসেন্স দেওয়া বন্ধের নির্দেশ পুলিশ সুপারের। গত ২৩ জানুয়ারি আলিপুরদুয়ার শহরে প্রকাশ্যে বন্দুক দিয়ে গুলি করে এক যুবককে খুন করার ঘটনা ঘটে। এর আগেও শহর সংলগ্ন এলাকায় একাধিক গুলি, খুন হবার ঘটনা ঘটেছে। এইভাবে প্রকাশ্যে গুলি করে খুনের ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শহরবাসী। এত লোকের কাছে লাইসেন্স প্রাপ্ত বন্দুক কিভাবে আসছে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। সামনের আলিপুরদুয়ার পুরভোট এবং ফালাকাটা উপ নির্বাচনের আগে শহরজুড়ে বেআইনি অস্ত্রের ঘটনায় শাসক দলকেই দায়ী করছেন বিরোধী দলের নেতারা।
গোটা বিষয়টি নিয়ে আলিপুরদুয়ারের পুলিশ সুপার অমিতাভ মাইতি বলেন, “শহরে খুনের ঘটনার মূল অভিযুক্ত আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। তাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বেআইনি অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।”
জানাগেছে, গত ২৩ জানুয়ারি রাতে আলিপুরদুয়ার শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিপ্লব বসাক তার আত্মীয় বাপি পণ্ডিতকে গুলি করে খুন করেন। খুন করার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। তিন দিন পলাতক থাকার পর অবশেষে সোমবার তিনি আলিপুরদুয়ার কোর্টে আত্মসমর্পণ করেন ।
জেলা পুলিশ সুপার অমিতাভ মাইতি বলেন,শহরে গুলি কান্ডের জেরে বন্দুকের লাইসেন্স দেওয়া আপাতত বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি যাদের পুরানো বন্দুকের লাইসেন্স আছে তাদের সমস্ত তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। জেলায় বেআইনি অস্ত্র থাকলে সে বিষয়েও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে এসপি অমিতাভ মাইতি জানিয়েছেন।