নিজস্ব প্রতিবেদক, কোচবিহার,৯সেপ্টেম্বর’১৯ :-

প্রায় দেড় মাস কোচবিহার বিমান বন্দরে বিমান থাকার পর উড়ে গেল বিমান এবং কোচবিহার জেলায় বিমান পরিষেবা অনিশ্চিত থেকে গেল । প্রায় ৪৫ দিন কোচবিহার বিমান বন্দরে আতিথেয়তা গ্রহণ করে জঙ্গল বৃষ্টিতে পড়ে থেকে শেষমেষ সোমবার উড়ে যেতে বাধ্য হল সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের আনা বিমান। বিমানবন্দর আধিকারিক বিপ্লব কুমার মন্ডল জানান, এখনো রাজ্য অথবা কেন্দ্রীয় কোন সংস্থা বিমান পরিষেবা চালু করার বিষয়ে কোন খবর জানায়নি। উপরন্তু একপ্রকার বিনা সুরক্ষায় বিমান বন্দরে রাখাটাও চিন্তার কারণ, তাই বিমানকে ফিরিয়ে দেওয়া হল। সেই সাথেই কোচবিহারের বিমান পরিষেবা নিয়ে বিগত দেড় মাসে তৈরি হওয়া একটি অধ্যায়ের অবসান হলো ।সেই সঙ্গে আরও একবার প্রমাণিত হলো নবনির্বাচিত সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের দাবি রাজ্য সরকারের উদ্যোগ এর কাছে হার মেনেছে। প্রসঙ্গত বিমান পরিষেবা চালু হওয়ার কথা হওয়ার সাথে সাথেই রাজ্য সরকার সুরক্ষা ব্যবস্থা তুলে নিয়েছিল বিমানবন্দর থেকে, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার অভিযোগ বারবার বিজেপির মাধ্যমে করা হলেও কোন লাভ হয়নি। সাংসদ হওয়ার পরেই বিমান পরিষেবা নিয়ে এক প্রকার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল নিশীথ প্রামানিক।সেই চ্যালেঞ্জকে ক্ষমতা বলে স্বীকার করে আজ বিমান পরিষেবা ভবিষ্যতকে সম্পূর্ণ অনিশ্চিত করে বিমানকে ফিরিয়ে দিল কোচবিহার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।কোচবিহার জেলা তৃণমূল কার্যকারী সভাপতি পার্থপ্রতিম রায় এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করে বলেন, বিমান পরিষেবা চালানোর ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম-কানুন লাগু আছে,হঠাৎ করে বললেই এই পরিষেবা চালু করা যায়না বা বন্ধ করা যায় না। দেড় মাস আগে যে বিমান নিয়ে বর্তমান সংসদ কোচবিহারে অবতীর্ণ হয়েছিলেন তা কতখানি অনুমতি প্রাপ্ত ছিল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল বারবার। জেলা বিজেপি সভাপতি মালতি রাভা এদিনও পুনরায় দাবি জানান, কোচবিহার থেকে বিমান পরিষেবা অবশ্যই চালু হবে। দলের কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক কোচবিহার থেকে বিমান চালানোর জন্য কেন্দ্রের সাথে কথা বলেছেন। রাজ্য সরকার কোচবিহার থেকে বিমান পরিষেবা যাতে চালু না হয় তার জন্য নানা ভাবে চেষ্টা করছে বলে বিজেপির অভিযোগ ।