নিজস্ব সংবাদদাতা, বালুরঘাট, ২২ নভেম্বর’১৯:–

কখনো হাতে উঠে আসে চাকু, কখনো নাকি পিস্তল । ‘মর্দানি’ মহিলা সিভিকের দাদাগিরিতে অতিষ্ঠ আস্ত গ্রাম । নিজেদের নিরাপত্তার দাবীতে বালুরঘাট থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা । অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ারের শাস্তি চেয়ে গণ অভিযোগও জমা করা হয়েছে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে । শুক্রবার এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে । বালুরঘাট থানার পুলিশ ঘটনার তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন ।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটের ১১ নং চিঙ্গিশপুরের শোবরা শ্যামপুরের বাসিন্দা ওই মহিলা সিভিক সান্ত্বনা রায়বর্মন । কর্মসূত্রে বালুরঘাট থানায় সিভিক ভলেন্টিয়ার পদে নিযুক্ত রয়েছেন তিনি । গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রতিনিয়ত ওই সিভিক কর্মী তাঁর ক্ষমতার ভয় দেখান । গালিগালাজ সহ চাকু ও পিস্তল দেখিয়ে বাসিন্দাদের ভীতি প্রদর্শন করেন তিনি । যার প্রতিবাদ করলেই সকলকে প্রশাসনের ভয় দেখায় ওই সিভিক । একই সাথে তাঁর দাদা অরুণ এবং মা সূর্যমনি গ্রাম দিয়ে যাতায়াতের সময় হাঁসুয়া ও রামদা দিয়ে ভয় দেখান এবং চিৎকার করতে থাকেন । মাঝে মধ্যেই তাঁদের শরিকি বিবাদে গ্রামের প্ররিবেশ নষ্ট হয়ে পড়ে । গত ১৯ তারিখে গ্রামেই তাঁর কাকা ভবেন বর্মনের বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে দরজায় মল লেপন করে অভিযুক্ত মহিলা সিভিক এবং ওই বাড়িতে মরা মুরগী ফেলে দিয়ে আসে । একের পর এক এমন ঘটনায় গ্রামবাসীরা অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন । যার প্রতিবাদেই এদিন জেলা পুলিশ সুপারের কাছে গণ অভিযোগ করেছেন গ্রামের বাসিন্দারা । একই সাথে পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বালুরঘাট থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান উত্তেজিত বাসিন্দারা ।
গ্রামবাসী পম্পি বর্মন, নিতা বর্মন, নিমাই চন্দ্র বর্মনরা জানিয়েছেন, দিনের পর দিন মহিলা সিভিকের অত্যাচারে গ্রামের সকল মানুষ তিতিবিরক্ত । সব সময় ভয়ে ভয়ে থাকতে হয় তাঁদের । এদিন নিজেদের নিরাপত্তার দাবী সহ গ্রামের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ সুপারকে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে ।