নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ২ অক্টোবর’১৯:-

পুজোর আগেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বিধায়ক, একবছরের মধ্যে নতুনরূপে তুলে ধরবেন ছোট্ট একটি গ্রামের মানুষকে। গোটা গ্রাম হবে স্ব নির্ভর ,স্বয়ং সম্পুর্ন। রাস্তা ঘাট হবে ঝকঝকে , রাতে জ্বলবে উজ্জ্বল পথবাতি । মহিলারা হবেন কর্মনির্ভর, স্বাবলম্বী । পুরুষরা তাদের নিজেদের কাজ করবে মসৃন গতিতে । ছাত্রছাত্রীরা হবে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত । উচ্চশিক্ষা মিলবে সুলভ পথেই । এককথায় , স্বপ্নের একটি গ্রাম তৈরী করতে চলেছেন বিধায়ক সৌরভ । এবং এজন্য নিজেকে সময় দিয়েছেন মাত্র এক বছর । বুধবারের এই গান্ধী জয়ন্তীতে যার শুরুয়াত হয়ে শেষ হবে আগামী বছরের গান্ধী জয়ন্তী দিবসে । গ্রামের নাম ফোস্কা ডাঙ্গা , শহর আলিপুরদুয়ার থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে অবস্থিত ডুয়ার্সের এই গ্রামকে নতুন রূপে সাজাতে উদ্যোগী বিধায়ক ড: সৌরভ চক্রবর্তী। এবং স্বাভাবিক ভাবেই সাধুবাদ জানাতে কুন্ঠিত করছে না জেলা বাসী ।
গান্ধী জয়ন্তী থেকে হলো সূচনা। গ্রামের পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলোকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যেই নতুন রূপে সেজে উঠবে গ্রাম। গ্রামে রয়েছে মোট চারটে বুথের প্রায় দশ হাজার মানুষ , তাদের স্বনির্ভর করার উদ্দেশ্যে বুধবার গান্ধী জয়ন্তীর দিন থেকে পরের বছর গান্ধী জয়ন্তী পর্যন্ত সময় নিয়েছেন আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক। গ্রামের প্রতিটি মানুষকে স্বয়ং সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে এগোতে চলেছেন। ছাত্রছাত্রীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ , মহিলাদেরকে জন্য বেবি কেয়ার প্রশিক্ষণ, প্যাথলজিকাল ল্যাবের প্রশিক্ষণ, সেলাই প্রশিক্ষণ প্রভৃতি যেমন থাকবে , তেমনি গ্রামে যেহেতু কৃষক সংখ্যা বেশি, তাই কৃষকদের কৃষাণ ক্রেডিট কার্ড বিতরনের পাশাপাশি পাম্পসেট, জমিতে ব্যবহার করার সার ইত্যাদি ধারকবাহিক ভাবেই সরবরাহ করা হবে, এমনটাই জানিয়েছেন বিধায়ক সৌরভ । গ্রামকে নতুন রূপে সাজাতে গোটা গ্রামে রাস্তা, পথ বাতি ইত্যাদিও আমূল সংস্কার হবে । এবং ঘোষণা হবার পর থেকেই খুশির জোয়ার জেলা জুড়ে।