নিউজ ডেস্ক , দ্য ফোর্থ কলাম ,৭ অক্টোবর’১৯ :-

ছবি – রেল পুলিশ হেফাজতে ধৃত রাজেশ কান্ত
ফর্সা সুবেশী চেহারা , বার্তালাপে চৌখস ,বয়স চল্লিশের নীচে । ফলত কারো সন্দেহ হয় নি । এবং সেই সুযোগে বিগত পাঁচ মাস ধরে আলিপুরদুয়ার জংশনের অফিসার্স রেস্ট হাউসে ঘাঁটি গেড়ে বসেছিলেন এক ব্যক্তি । বিনে পয়সায় ভোগ করছিলেন ভি আই পি বন্দোবস্ত । নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন শিলিগুড়ির সিবিআই অফিসার রূপে । কিন্তু শেষ অবধি ধরা পড়ে গেলেন । আপাতত রেলের সুরক্ষা বলের হেফাজতে । মহানবমীর সকালেই রেইড করে রেল পুলিশ , প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়ে বসে এবং জেরার মুখে ভেঙে পড়ে প্রতারক ভুয়ো ব্যক্তি । ঘটনয় স্বাভাবিক চাঞ্চল্য আলিপুরদুয়ার জংশনের রেল এলাকায় ।
এ প্রসঙ্গে, আলিপুরদুয়ার জংশন রেল বিভাগের আর পি এফ ইনচার্জ এম সি স্বার্গিয়ারী জানান, পয়লা মে থেকে নিজেকে সি বি আই ‘এর শীর্ষ অফিসার পরিচয় দিয়ে রাজেশ কান্ত নামক ব্যক্তি রেস্ট হাউসে বহাল তবিয়তে থাকতে শুরু করে । সি বি আই অফিসার পরিচয় দিয়ে ভি আই পি বন্দোবস্তে এখানে ছিল । কারোর সন্দেহ হয় নি । কিন্তু ওনার চালচলন দেখে আমাদের সন্দেহ হয় , শেষ অবধি ইন্সপেক্টর আতাউর রহমান, ইন্সপেক্টর এন লস্কর , কে কুমার সোনার প্রমুখকে নিয়ে একটি টিম তৈরী করে , আজ রেইড করে জানতে পারি গোটা ব্যাপারটাই ভুয়ো । কোনো সঠিক পরিচয় পত্র দেখাতে পারে নি । শিলিগুড়ির মেইন হায়দরপাড়া রোডের এই বাসিন্দাকে আমরা গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিয়েছি । পরবর্তীতে রাজ্য পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে , জানিয়েছেন তিনি ।
সূত্রের খবর , নিজেকে সি বি আই পরিচয় দিয়ে দামী খাদ্যদ্রব্য আনিয়ে গলাধঃকরণ করা , ভি আই পি সার্ভিস নেওয়া ,সব কিছুই সাবলীল ভাবেই করে চলছিলেন ধৃত রাজেশ কান্ত । তবে শেষ রক্ষা করতে পারেন নি । আপাতত তার এই প্রতারনার পিছনে অন্য কোনো গল্প আছে কিনা তাও তদন্ত সাপেক্ষ , বক্তব্য রেল পুলিশের ।
অন্যদিকে , বিগত পাঁচ মাস ধরে এভাবে ভুয়ো পরিচয় নিয়ে থাকা সত্বেও কেন এতদিন তা কারো নজরে আসে নি সে প্রশ্নও ঘুরছে জনমানসে ।