নিউজ ডেস্ক , দ্য ফোর্থ কলাম , ২৮ নভেম্বর ‘১৯:-

অবৈধ মদ তল্লাশি অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার অভিযোগ এনেছিল জেলা আলিপুরদুয়ার আবগারি দপ্তর । বারবিশার লস্করপাড়ার জনৈক প্রফুল্ল দাসের বাড়িতে গিয়ে আবগারি কর্মীরা আক্রান্ত হয় জানা গিয়েছিল । আহত হয়ে জেলা আলিপুরদুয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিন আবগারি কর্মী ইয়াসিন মল্লিক , ডব্লু ঘোষ ও মানিক বর্মন । এবং হাসপাতালে যখন আহত আবগারি কর্মীদের নিয়ে ব্যস্ততা চলছে , উপস্থিত হয়েছেন জেলা আবগারি ছোট বড় আধিকারিকরা , সে সময়ই দৃশ্য পাল্টে গেল । যার বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এনেছে আবগারি দপ্তর , সেই প্রফুল্ল দাস ও তার ছেলে সমীর দাস কে রক্তাক্ত অবস্থায় জেলা হাসপাতালে নিয়ে এলেন তার স্ত্রী শুক্লা দাস । এবং আহত প্রফুল্ল বাবুর অভিযোগ , তিনি ছোটখাট মদের ব্যবসা করেন এবং আবগারি দপ্তরের সঙ্গে তার মান্থলি 15 হাজার টাকার (পড়ুন মান্থলি ঘুষ ) কন্ট্যাক্ট আছে এবং এদিন সন্ধ্যায় এক আবগারি আধিকারিক সেই টাকার অংক বাড়িয়ে মান্থলি 30 হাজার (পড়ুন ঘুষ) চাইতে গেলে গোল বাধে । তাকে ও তার ছেলেকে মেরে মুখ ফাটিয়ে দেওয়া হয় । এ ব্যাপারে তিনি এক জেলা আবগারি কর্তার নামও উল্লেখ করেছেন জরুরী বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় । তার ছেলে সমীর দাসও একই অভিযোগ এনেছে । তাদের বক্তব্য , আবগারি কর্মীরা মার দেওয়ার পরই স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষেপে গিয়ে হামলা চালায় ।
অন্যদিকে , হাসপাতালে নিজের দপ্তরের আহত কর্মীদের দেখভাল করবার ফাঁকে জেলা আবগারি আধিকারিক টি ডব্লু ভুটিয়া এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন । তার বক্তব্য , এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অবৈধ মদের কারবারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে । এমনকি , হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রফুল্ল দাস ও তার ছেলেকে দেখে তার বক্তব্য , এসব সাজানো ঘটনা । এদের গ্রেফতারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে ।
ঘটনা যাই হোক না কেন , অবৈধ মদের কারবারে যে জেলা আবগারি দপ্তরের প্রতি ‘মান্থলি ঘুষের’ আঙ্গুল উঠেছে , তা নিয়ে যে চরম অস্বস্তির মুখে পড়তে যাচ্ছে জেলা আবগারি দপ্তর ,তা বলাই বাহুল্য ।
ভিডিও বার্তা দেখতে নীচের রেড লাইনে ক্লিক করুন …
বারবিশা অবৈধ মদ কান্ড , জনতা বনাম আবগারি , মান্থলি সেটিং এর অভিযোগ