নিউজ ডেস্ক, দ্যা ফোর্থ কলাম , আলিপুরদুয়ার, ২১ জানুয়ারি ২০২৫ :রিপোর্ট: রচিতা চক্রবর্তী

আলিপুরদুয়ার পৌরসভার উন্নয়নে জুড়লো এক নতুন পালক। বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে জ্বালানি গ্যাস,উদ্যোগ পৌরসভার।পৌরসভার সাথে এই কাজে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন লিমিটেড। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার ১নং ওয়ার্ডের জিমনেশিয়াম ক্লাব প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভার সাংসন প্রকাশ চিক বরাইক,বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল, পৌরসভার চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর, ভাইস চেয়ারম্যান মাম্পি অধিকারী সহ আলিপুরদুয়ারের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা। প্রদীপ প্রজ্জলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন পৌরসভার চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারত পেট্রোলিয়ামের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

ভারত পেট্রিলিয়ামের টেরিটোরি ম্যানেজার জানান,পাইপ লাইনের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাবে এই পিএনজি গ্যাস পরিষেবা। যেভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করার পর বৈদ্যুতিক বিল পরিশোধ করতে হয় ঠিক সেভাবেই এই গ্যাস পরিষেবা ব্যাবহার করতে পারবে সাধরন মানুষ।এক্ষেত্রে যে বাড়িতে এই পরিষেবা প্রদান করা হবে সেখানে বৈদ্যুতিক মিটারের মতো মিটার থাকবে সেখানে যে পরিবার যতটা গ্যাস ব্যাবহার করবে সেই হিসেবে বিল প্রদান করতে হবে। তিনি আরো জানান এই গ্যাস পরিষেবা সম্পূর্ণ রূপে সুরক্ষিত হতে চলেছে কেননা কোনো পরিবার যদি বাড়িতে না থাকেন সেক্ষেত্রে গ্যাস প্রদানকারী সংস্থাকে জানিয়ে দেয়া হলে তারা সেই লাইনে গ্যাস পরিষেবা বন্ধ করে দেবেন ফলে কোন দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা নেই। বাড়িতে রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাসের সাথে তুলনা করা হলে তিনি জানান ২৫-৩০ শতাংশ পর্যন্ত সাশ্রয় করতে পারবে এক একটি পরিবার।এই গ্যাস পরিষেবা 24*7 উপলব্ধ থাকবে এবং কোনো বুকিং বা স্টোরেজের প্রয়োজন নেই। এটি পরিবেশ বান্ধব। পৌরসভার চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর জানান,১নম্বর ওয়ার্ডে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হলেও খুব তাড়াতাড়ি পৌরসভা এলাকার প্রায় 20 হাজার বাড়িতে পৌঁছে যাবে এই গ্যাস পরিষেবা। সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট থেকে শুরু করে প্রত্যেক বাড়িতে বাড়িতে পাইপ লাইনের মাধ্যমে জল পরিষেবা ইতিমধ্যে প্রদান করেছে পৌরসভা এবার বাড়ি বাড়ি গ্যাস পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে আলিপুরদুয়ার পৌরসভা।এই পরিষেবা পেয়ে পৌর অঞ্চলে বসবাসকারি আলিপুরদুয়ারবাসী উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন পৌরসভার চেয়ারম্যান বাবলু কর।
ব্যুরো রিপোর্ট,দ্যা ফোর্থ কলাম