নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ১৪ মার্চ ২০২৬ :

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচ হিসেবে গৌতম গম্ভীরের ঝুলিতে ইতিমধ্যেই এসেছে জোড়া আইসিসি ট্রফি। ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবং সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর গম্ভীরের মুকুটে এখন সাফল্যের পালক। তবে এই সাফল্যের আবহেও টিম ইন্ডিয়ার কোচকে সতর্ক করলেন প্রাক্তন বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। মহারাজের মতে, গম্ভীরের আসল পরীক্ষা এখনও বাকি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সৌরভ জানিয়েছেন, ২০২৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ার মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য ৫০ ওভারের বিশ্বকাপই হবে গম্ভীরের কোচিং ক্যারিয়ারের সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশন এবং বিদেশের মাটিতে বড় টুর্নামেন্টে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতাই বুঝিয়ে দেবে গম্ভীরের প্রকৃত গভীরতা। সৌরভের কথায়, “২০২৭-এর সাদা বলের বিশ্বকাপই ওর আসল অগ্নিপরীক্ষা। ওখানকার পরিবেশই ওর পরীক্ষা নেবে। তবে ওর হাতে যে মানের দল আছে, তাতে আমি আশাবাদী।” উল্লেখ্য, ২০২৭ বিশ্বকাপই হতে পারে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির শেষ আইসিসি টুর্নামেন্ট, যা এই লড়াইকে আরও আবেগপ্রবণ করে তুলেছে।
সাদা বলের ক্রিকেটে সফল হলেও লাল বলের ক্রিকেটে গম্ভীরের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সৌরভ। ঘরের মাঠে ঘূর্ণি উইকেট বানিয়েও পরাজয় এবং অস্ট্রেলিয়া সফরে প্রত্যাশা পূরণ না হওয়া—সব মিলিয়ে ক্রিকেটে গম্ভীরের রণকৌশল নিয়ে সমালোচনা চলছে। এই প্রেক্ষাপটে সৌরভের স্পষ্ট পরামর্শ, ” জিততে গেলে পিচ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা বন্ধ করতে হবে।” ইংল্যান্ড সিরিজের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, পিচ নিয়ে বেশি কারিকুরি না করেও ভারত লড়াই করেছে। তাই দেশের মাটিতে শুধু স্পিন-সহায়ক উইকেট বানানোর চেয়ে দলের স্বাভাবিক শক্তির ওপর ভরসা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এখন দেখার, দাদার এই ‘দাদাগিরি’ পরামর্শ মেনে গম্ভীর আসন্ন ক্রিকেটে ঘুরে দাঁড়াতে পারেন কি না।