নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ১২ মার্চ ২০২৬ :

স্বাস্থ্য ডেস্ক: বিশ্বে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ১ জন বর্তমানে কিডনির সমস্যায় ভুগছেন। পরিসংখ্যানটি যতটা উদ্বেগজনক, তার চেয়েও ভয়ের বিষয় হলো—রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে কোনও স্পষ্ট উপসর্গই থাকে না। যখন ধরা পড়ে, তখন অনেকের ক্ষেত্রেই পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। এই কারণেই ‘বিশ্ব কিডনি দিবস’ পালন এবং সচেতনতা প্রসারের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় ডায়ালিসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপনের খরচ বহন করা অনেকের পক্ষেই অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।
চিকিৎসকদের মতে, শরীরে কিছু সাধারণ পরিবর্তন দেখা দিলেই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। যেমন—অস্বাভাবিক ক্লান্তি, খিদে কমে যাওয়া, বমি বমি ভাব, সারা শরীরে চুলকানি কিংবা সামান্য পরিশ্রমে শ্বাসকষ্ট। এই লক্ষণগুলো দীর্ঘস্থায়ী হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কিডনির অবস্থা বোঝার জন্য রক্তের ক্রিয়েটিনিন, রুটিন ইউরিন টেস্ট এবং ইউএসজি-র মতো সাধারণ পরীক্ষাই যথেষ্ট।
কিডনি সুস্থ রাখতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা। চিকিৎসকদের কড়া নির্দেশ—চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া যথেচ্ছ পেইন কিলার বা এনএসএআইডি (NSAID) গ্রুপের ওষুধ খাওয়া বন্ধ করতে হবে। এছাড়া দিনে ৫ গ্রামের বেশি নুন না খাওয়া, সক্রিয় জীবনযাপন এবং ধূমপান বর্জন করা একান্ত প্রয়োজন। মনে রাখবেন, পা ফোলা বা হঠাৎ ওজন বৃদ্ধি শরীরে জল জমার লক্ষণ হতে পারে। তাই উপসর্গের অপেক্ষা না করে নিয়মিত পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনই সুস্থ কিডনির চাবিকাঠি।