অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে মরণব্যাধির সংকেত, এই ৫টি লক্ষণ দেখলে আজই সতর্ক হোন | The 4th Column

নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ১৪ মার্চ ২০২৬ :

হেলথ ডেস্ক : গরমে ঘাম হওয়া স্বাভাবিক হলেও, বিনা পরিশ্রমে অত্যাধিক ঘাম হওয়া কিন্তু মোটেও স্বাভাবিক নয়। চিকিৎসকদের মতে, শরীরের এই অতিরিক্ত ঘাম আসলে ৫টি কঠিন রোগের আগাম সতর্কবার্তা হতে পারে। অনেক সময় আমরা একে অবহেলা করি, যা পরবর্তীতে বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
প্রথমত, হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে বিনা পরিশ্রমে বুক ধরফড় করার সাথে ‘ঠান্ডা ঘাম’ (Cold Sweat) দেখা দিতে পারে। ধমনীতে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হলে হৃদযন্ত্রকে অতিরিক্ত চাপ নিতে হয়, যার ফলে শরীর ঘামতে থাকে। দ্বিতীয়ত, থাইরয়েডের সমস্যা বা ‘হাইপারথাইরয়েডিজম’ থাকলে শরীরের মেটাবলিজম রেট বেড়ে যায়, ফলে সামান্য কারণেই প্রচুর ঘাম হয়। এর সাথে হাত কাঁপা বা দ্রুত ওজন কমে যাওয়ার মতো লক্ষণও দেখা দিতে পারে।
তৃতীয় বড় কারণ হলো ডায়াবেটিস। রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ কমে গেলে বা ‘হাইপোগ্লাইসেমিয়া’ দেখা দিলে শরীর দ্রুত ঘামতে শুরু করে। এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য একটি জরুরি সতর্কবার্তা। চতুর্থত, দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগ বা ‘প্যানিক অ্যাটাক’ থেকেও হাত-পায়ের তালু ঘামতে পারে। প্যানিক অ্যাটাকের সময় শরীরের নার্ভাস সিস্টেম অতিসক্রিয় হয়ে ওঠে। সবশেষে, শরীরে যক্ষ্মা (TB) বা হাড়ের সংক্রমণের মতো বড় কোনো ইনফেকশন থাকলেও রাতে ঘুমানোর সময় প্রচুর ঘাম হতে পারে।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: অতিরিক্ত ঘামের সাথে যদি বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা ওজন কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ থাকে, তবে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের (এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বা কার্ডিওলজিস্ট) পরামর্শ নিন। শরীরের এই ভাষাকে অবহেলা না করে দ্রুত সঠিক চিকিৎসা শুরু করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

Leave a Reply

You cannot copy content of this page

error: Content is protected !!