ওজন কমায় আমন্ড, কিন্তু বেশি খেলেই বিপত্তি! দিনে ঠিক ক’টা খাওয়া নিরাপদ? The 4th Column

নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ৩০ মার্চ ২০২৬ :

লাইফস্টাইল ডেস্ক: সুস্থ থাকতে ড্রাই ফ্রুটসের ভূমিকা অপরিসীম। আর সেই তালিকায় উপরের দিকেই থাকে আমন্ড (Almond)। বিশেষ করে যাঁরা ডায়েট করছেন বা ওজন কমাতে চান, তাঁদের প্রথম পছন্দ এই সুপারফুড। কিন্তু আমন্ড মহার্ঘ্য বা অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর বলেই কি ইচ্ছামতো খাওয়া যায়? বিশিষ্ট চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, একেবারেই নয়। সঠিক পরিমাণে আমন্ড না খেলেই হিতে বিপরীত হতে পারে।
পুষ্টির খনি আমন্ড:
ডাঃ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, অনেকেই সকালের জলখাবারে ৭-৮টি আমন্ড খান, যা একটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। আমন্ডে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট (ভাল ফ্যাট), ফাইবার এবং ভিটামিন ই। এছাড়াও ট্রেস এলিমেন্টের মধ্যে ম্যাগনেশিয়াম ও বিভিন্ন মিনারেলস বা খনিজ পদার্থে ভরপুর এটি।
ওজন ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ:
রোজ নির্দিষ্ট পরিমাণে আমন্ড খেলে একাধিক উপকার হয়। ডাঃ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এটি ওজন কমাতে অত্যন্ত সাহায্য করে। কারণ মাত্র ৩-৪টি আমন্ড দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে, ফলে অসময়ে অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে। এছাড়া নম্বর ২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।
বেশি খেলেই পেটের সমস্যা:
কিন্তু বিপদ লুকিয়ে আছে অতিরিক্ত খাওয়ার মধ্যেই। ডাঃ বন্দ্যোপাধ্যায় সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, দিনে ৭ থেকে ৮টির বেশি আমন্ড খাওয়া যাবে না। যদি কেউ দিনে ৩০ গ্রামের বেশি আমন্ড খেয়ে ফেলেন, তবে গ্যাস, অ্যাসিডিটি, পেট গরম বা পেট খারাপের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
সঠিকভাবে খাওয়ার নিয়ম:
যাঁদের হজমের সমস্যা আছে, ডাঃ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের আমন্ড ভিজিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ভেজানো আমন্ড সহজপাচ্য হয়। এছাড়া খোসা ছাড়িয়ে আমন্ডের দুধ বানিয়ে বা সকালে দুধ-ফলের স্মুদিতে যোগ করেও এটি খাওয়া যেতে পারে। তবে উপকার পেতে আমন্ডের সঙ্গে ডায়েটে বিভিন্ন ফল ও সিডস (Seeds) যোগ করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক। এতে পেট যেমন পরিষ্কার থাকে, তেমনি শরীর পায় পর্যাপ্ত পুষ্টি।

Leave a Reply

You cannot copy content of this page

error: Content is protected !!