প্রথমবার বিমান যাত্রা? বিমানবন্দরের এই পরিভাষাগুলো জানা না থাকলে পড়তে পারেন বিপদে | The 4th Column

প্রথমবার বিমান যাত্রা? বিমানবন্দরের এই পরিভাষাগুলো জানা না থাকলে পড়তে পারেন বিপদে
নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ :

নিজস্ব প্রতিনিধি: আকাশপথে প্রথমবার যাত্রা অনেকের কাছেই স্বপ্নের মতো। বিশাল বিমানবন্দর, ঝকঝকে চারপাশ আর ওড়ার উত্তেজনা—সব মিলিয়ে এক রোমাঞ্চকর পরিবেশ। কিন্তু এই উত্তেজনার মাঝে অনেক সময় বিপত্তি ঘটায় বিমানবন্দরের কিছু বিশেষ পরিভাষা। যারা প্রথমবার বিমানে চড়ছেন, তাঁদের কাছে বিমানবন্দরের ভাষা অনেক সময় গোলকধাঁধার মতো মনে হতে পারে। ঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় পৌঁছাতে এবং অহেতুক হয়রানি এড়াতে এই শব্দগুলোর অর্থ জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
১. আইএটিএ (IATA) কোড: আপনার বোর্ডিং পাস বা ব্যাগের গায়ে লাগানো ট্যাগে তিন অক্ষরের একটি কোড দেখতে পাবেন (যেমন কলকাতার জন্য CCU)। এটিই হলো আইএটিএ কোড, যা বিশ্বের প্রতিটি বিমানবন্দরের একটি নির্দিষ্ট পরিচয় বহন করে।
২. এয়ারসাইড এবং ল্যান্ডসাইড: বিমানবন্দর প্রধানত দুটি ভাগে বিভক্ত। নিরাপত্তা বেষ্টনীর বাইরের অংশকে বলা হয় ল্যান্ডসাইড, যেখানে চেক-ইন বা পরিজনদের বিদায় জানানো হয়। আর নিরাপত্তার ঘেরাটোপ পেরিয়ে যেখানে বিমান দাঁড়িয়ে থাকে, সেই অংশটি হলো এয়ারসাইড।
৩. লে-ওভার ও ট্রানজিট: সরাসরি গন্তব্যে না গিয়ে মাঝে অন্য কোনো বিমানবন্দরে নামতে হলে সেই বিরতিকে বলে ‘লে-ওভার’। আর যদি আপনি সেই দেশে প্রবেশ না করে কেবল বিমান পরিবর্তনের জন্য অপেক্ষা করেন, তবে আপনি একজন ‘ট্রানজিট প্যাসেঞ্জার’।
৪. ফাইনাল কল: লাউডস্পিকারে এই ঘোষণা শোনা মানেই সতর্ক হয়ে যাওয়া। এর অর্থ হলো, বিমানে ওঠার এটাই শেষ সুযোগ। এরপর গেট বন্ধ হয়ে যাবে।
৫. কাস্টমস: গন্তব্যে পৌঁছে ব্যাগ সংগ্রহের পর আপনাকে কাস্টমস পার হতে হয়। এখানে বিদেশে নিয়ে যাওয়া বা বিদেশ থেকে আনা জিনিসের হিসেব দিতে হয়। প্রতিটি দেশের নিয়ম আলাদা, তাই আগেভাগে তা জেনে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
এই সাধারণ বিষয়গুলো মাথায় রাখলে আপনার প্রথম বিমান যাত্রা হবে অনেক বেশি সহজ ও আনন্দদায়ক।

Leave a Reply

You cannot copy content of this page

error: Content is protected !!