নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ২ মার্চ ২০২৬ :

বয়স পঞ্চাশের কোঠায় পৌঁছালে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলা অনেকেরই অভ্যেস। বলিরেখা, রুক্ষতা আর কালচে ছোপ যেন ত্বকের চিরসঙ্গী হয়ে ওঠে। বাজারচলতি হাজার হাজার টাকার ক্রিম মেখেও অনেক সময় সুরাহা মেলে না। রূপ বিশেষজ্ঞদের মতে, বাইরের প্রলেপের চেয়ে ত্বকের গভীর থেকে পুষ্টি জোগানোই আসল রহস্য। আর সেই রহস্য লুকিয়ে আছে আপনার রান্নাঘরের সাধারণ কিছু প্রাকৃতিক উপাদানের মধ্যে।
মধুর জাদু ও গাজরের পুষ্টি:
ত্বককে সজীব রাখতে মধুর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান অপরিহার্য। দারচিনি গুঁড়োর সঙ্গে মধুর মিশ্রণ ব্যবহারে ত্বকের মৃত কোষ দূর হয় এবং খসখসে ভাব কেটে যায়। অন্যদিকে, ভিটামিন সমৃদ্ধ গাজরের পেস্টের সঙ্গে বেসন ও দুধের মিশ্রণ রোদে পোড়া দাগ বা ট্যান দূর করতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এটি শুষ্ক ও তৈলাক্ত—উভয় ধরনের ত্বকেই প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে কাজ করে।
কলা ও দইয়ের যুগলবন্দি:
ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখতে পাকা কলা ও টক দইয়ের প্যাক দারুণ কার্যকর। কলার পটাশিয়াম আর দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের কোষ পুনর্গঠন করে বলিরেখা দূর করে। সপ্তাহে মাত্র দু’দিন এই ঘরোয়া পরিচর্যা করলেই পাওয়া যায় কাঙ্ক্ষিত জেল্লা। কৃত্রিম রাসায়নিক বর্জন করে প্রকৃতির ওপর আস্থা রাখলে ৫০ বছর বয়সেও আপনার ত্বক থাকবে টানটান ও উজ্জ্বল।