রাষ্ট্রপুঞ্জের স্বীকৃতি: বাংলার ‘মাটির সৃষ্টি’ ও সুগন্ধি চালের বিশ্বজয় | The 4th Column

রাষ্ট্রপুঞ্জের স্বীকৃতি: বাংলার ‘মাটির সৃষ্টি’ ও সুগন্ধি চালের বিশ্বজয়

নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ :

কলকাতা: বাংলার কৃষিকাজ ও ভূমি সংরক্ষণে নয়া পালক। রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের রুক্ষ জমিকে উর্বর করার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হওয়া ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পকে এবার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিল রাষ্ট্রপুঞ্জের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)। একইসঙ্গে বাংলার গর্ব— গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি ও কনকচুর চালকেও ‘খাদ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য’ (Food & Culture Heritage) হিসেবে মান্যতা দিয়েছে তারা।
২০২০ সালে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে শুরু হওয়া এই প্রকল্প আজ এক অনন্য জনমুখী উদ্যোগে পরিণত হয়েছে। পঞ্চায়েত, সেচ ও ভূমি সংস্কার দপ্তরকে এক সূত্রে গেঁথে রুক্ষ ও একফসলি জমিকে বছরভর চাষযোগ্য করে তোলা হয়েছে। পুকুর খনন ও আধুনিক সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে শুধু যে সবজি ও ফলের ফলন বেড়েছে তাই নয়, সৃষ্টি হয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান। গ্রামীণ অর্থনীতির এই ভোলবদলকেই কুর্নিশ জানিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জ।
মুখ্যমন্ত্রী এই কৃতিত্বের জন্য বাংলার কৃষক ভাই-বোনদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি জানান, প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বাংলার এই মডেল এখন বিশ্ববন্দিত। FAO-এর ডিরেক্টর জেনারেলের পাঠানো শংসাপত্রগুলি বাংলার কৃষিজীবী মানুষের পরিশ্রমেরই ফসল। চালের এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাংলার খাদ্য সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিল।

Leave a Reply

You cannot copy content of this page

error: Content is protected !!