কামাখ্যাগুড়িতে নাবালিকাকে তুলে নিয়ে গিয়ে যৌ* নির্যাতনে পকসো মামলায় গ্রেপ্তার যুবক, ১৪ দিনের জেল হেফাজত | The 4th Column

নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ২৪ মে ২০২৬ :

কামাখ্যাগুড়িতে নাবালিকাকে ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়ে পকসো (সেকশন ৬) মামলায় গ্রেপ্তার যুবক, ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠাল আদালত
আলিপুরদুয়ার জেলার কামাখ্যাগুড়িতে এক পনেরো বছর বয়সী নাবালিকাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে লাগাতার যৌ* নির্যা তনের অভিযোগে টরণ হোসেন (২১) ( নাম পরিবর্তিত) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ওই যুবক কুমারগ্রামের বাসিন্দা। কামাখ্যাগুড়ি ফাঁড়ির পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে পকসো (POCSO) আইনের ৬ নম্বর ধারায় (গুরুতর যৌ* নির্যা তন) মামলা রুজু করেছে। রবিবার তাকে আলিপুরদুয়ার আদালতে পেশ করা হলে, বিচারক তাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকার সঙ্গে গত দু’বছর ধরে অভিযুক্ত টরণের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ২২ তারিখ রাত আনুমানিক সাড়ে দশটা নাগাদ নাবালিকার মা-বাবা বাড়িতে ছিলেন না। সেই সুযোগে অভিযুক্ত যুবক সেখানে উপস্থিত হয় এবং নাবালিকাকে ফুসলিয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর নাবালিকার বাবা-মা বাড়িতে ফিরে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কোথাও না পেয়ে অবশেষে তাঁরা ওই যুবকের বাড়িতে যান। অভিযোগ, সেখানে গেলে যুবকের পরিবারের সদস্যরা নাবালিকার বাবা-মায়ের সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করেন।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে নাবালিকার মা জোরপূর্বক অভিযুক্তের ঘরে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি দেখতে পান তাঁর মেয়ে এবং অভিযুক্ত যুবক একসঙ্গে এক বিছানায় রয়েছে। এরপর তিনি তৎক্ষণাৎ মেয়েকে সেখান থেকে উদ্ধার করে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে আসেন। বাড়িতে ফিরে মেয়ের কাছ থেকে সমস্ত ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ শোনেন তিনি।
পুলিশি তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ছয় মাস ধরে প্রেমের সুযোগ নিয়ে ওই যুবকের বাড়িতে একাধিকবার তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। মেয়ের কাছ থেকে গোটা বিষয়টি জানার পরই কামাখ্যাগুড়ি ফাঁড়িতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাবালিকার মা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং অভিযুক্ত করণকে গ্রেপ্তার করে। কামাখ্যাগুড়িতে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নাবালিকার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। বর্তমানে সমগ্র ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

Leave a Reply

You cannot copy content of this page

error: Content is protected !!