https://the4thcolumn.com Tue, 30 Jun 2026 20:00:43 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.8.2 161066102 নোনাই নদীর করাল গ্রাসে বাবার করুণ পরিণতি, শোকের ছায়া আলিপুরদুয়ারে | The 4th Column https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-bonai-nadi-tingku-dead/ https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-bonai-nadi-tingku-dead/#respond Tue, 30 Jun 2026 20:00:43 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=25966 নোনাই নদীর করাল গ্রাসে বাবার করুণ পরিণতি, শোকের ছায়া আলিপুরদুয়ারে
জারুল রাভা, দ্য ফোর্থ কলাম , আলিপুরদুয়ার , ৩০ জুন ২০২৬ :-
— পড়ে আছে নিথর দেহ! মেয়েদের সঙ্গে আর দেখা হলো না টিঙ্কুর

আলিপুরদুয়ারের মাঝেরডাবরী এলাকায় এক মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। পেশায় ঢালাই মিস্ত্রি ত্রিশোর্ধ্ব টিংকু দেবনাথ নিজের দুই কন্যা সন্তানের জন্য প্রিয় খাবার নিয়ে সাইকেল কাঁধে করে পার হচ্ছিলেন উত্তাল নোনাই নদী। ভালোবাসার টানে স্ত্রীর চলে যাওয়ার পর দুই মেয়ে এখন মামাবাড়িতেই থাকে। ভোরে মেয়েদের হাতে খাবার পৌঁছে দেবেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে গিয়েই ঘটে গেল চরম বিপর্যয়।
​আজ সকাল সাড়ে ছ’টা নাগাদ স্থানীয়রা বারংবার বারণ করা সত্ত্বেও, মেয়েদের মুখে হাসি ফোটাতে টিংকু সাইকেল কাঁধে নিয়ে রুদ্রমূর্তি ধারণ করা নদীতে নেমে পড়েন। কিন্তু নোনাইয়ের চোরা স্রোতের তীব্রতা ছিল প্রবল। উপস্থিত মানুষদের চোখের সামনেই টিংকু জলের তোড়ে ভেসে যান। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার তল্লাশির পর দুপুর বারোটা নাগাদ নদীর জল থেকেই তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
​এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই মাঝেরডাবরী এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। যেন এক নিমেষেই সব স্তব্ধ হয়ে গেছে। টিংকুর দুই কন্যা, যাদের বয়স দশ ও তেরো, তারা যেন পাথর হয়ে গেছে। তারা সম্ভবত জেনে গেছে , মা আগেই হারিয়ে গিয়েছেন চোরাপথে, আজ বাবাও হারিয়ে গেলেন চোরা স্রোতের বাঁকে । আর ফিরবেন না বাবা। চলে গেলেন চিরতরে। এমন করুণ পরিণতি এলাকাবাসীকে কাঁদিয়ে তুলেছে। খবর পেয়ে পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। মাঝেরডাবরীতে এখন শ্মশানের স্তব্ধতা ।

]]>
https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-bonai-nadi-tingku-dead/feed/ 0 25966
হার মেনেছে বয়স! ভিনি ভিডি ভিসি! ৩৮-এও অধরা মেসি! The 4th Column https://the4thcolumn.com/news-desk-international-sports-football-messi/ https://the4thcolumn.com/news-desk-international-sports-football-messi/#respond Wed, 17 Jun 2026 04:14:58 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=25963 জারুল রাভা, দ্যা ফোর্থ কলাম, ১৭ জুন ২০২৬ :-
–ভিনিভিডিভিসি! ইট’স মেসি!

ফুটবল কখনও কখনও পরিসংখ্যানের গণ্ডি ছাড়িয়ে মহাকাব্যে পরিণত হয়। আর সেই মহাকাব্যের নাম যদি হয় লিওনেল মেসি, তাহলে বিস্ময়ের আর কোনো সীমা থাকে না। সময়ের স্রোত বয়ে যায়, ঋতু বদলায়, প্রজন্ম বদলায়; কিন্তু কিছু কিংবদন্তি আছেন, যাঁরা সময়কে নিজেদের ইচ্ছেমতো বাঁকিয়ে দেন। লিওনেল মেসি ঠিক তেমনই এক বিস্ময়, যাঁর গল্প যত পুরোনো হয়, ততই নতুন হয়ে ওঠে।
৩৮ বছর বয়সে এসে যখন অধিকাংশ ফুটবলার ক্যারিয়ারের গোধূলিবেলায় দাঁড়িয়ে অতীতের স্মৃতি রোমন্থন করেন, তখন মেসি যেন নতুন সূর্যোদয়ের গল্প লিখছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২০০তম ম্যাচ—যে সংখ্যা নিজেই একটি ইতিহাস—সেই মাইলফলককে তিনি রূপ দিলেন এক অনন্য শিল্পকর্মে। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে তিনি যেন আবারও প্রমাণ করলেন, “পুরোনো চাল ভাতে বাড়ে”—এই বাংলা প্রবাদটি তাঁর ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বেশি সত্য।
উত্তর আমেরিকার মাটিতে অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ জে-র ম্যাচটি ছিল আর্জেন্টিনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু মেসির জন্য ছিল আরও বিশেষ। কারণ এটি ছিল তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ২০০তম অধ্যায়। আর সেই অধ্যায়ের প্রতিটি পৃষ্ঠা তিনি লিখলেন সোনালি অক্ষরে।
ম্যাচের ১৭ মিনিটে দূরপাল্লার এক দুর্দান্ত শটে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি। যেন শিল্পীর তুলির আঁচড়ে আঁকা কোনো নিখুঁত ছবি। দ্বিতীয়ার্ধে আবারও প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে বোকা বানিয়ে দ্বিতীয় গোল করেন। আর ৭৬ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে যেন ঘোষণা দিলেন—“সিংহ বুড়ো হলেও শিকার করতে ভোলে না।”
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন, “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির।” মেসির ফুটবল যেন সেই পঙ্‌ক্তিরই বাস্তব প্রতিচ্ছবি। চাপ, প্রত্যাশা, সমালোচনা—কোনো কিছুই তাঁকে থামাতে পারেনি। বরং প্রতিবারই তিনি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছেন, নিজের প্রতিভার আলোয় আলোকিত করেছেন ফুটবল বিশ্বকে।
এই হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা পৌঁছেছে ১৬-তে। স্পর্শ করেছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। যে রেকর্ড একসময় অনেকের কাছে ছিল দূর আকাশের তারা, মেসি সেটিকে হাতের মুঠোয় এনে দেখালেন। যেন “ধৈর্যের ফল মিষ্টি হয়”—এই চিরন্তন সত্যের জীবন্ত উদাহরণ তিনি।
২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের পর অনেকেই ভেবেছিলেন, এটাই হয়তো তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। কিন্তু মহানায়কেরা বিদায় নেন নিজেদের সময়ে, অন্যের কল্পনায় নয়। তাই চার বছর পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে এসে তিনি যেন বললেন, গল্প এখনও শেষ হয়নি।
আর্জেন্টিনার শিরোপা রক্ষার অভিযানের শুরুটা হয়েছে দুর্দান্ত জয়ে। কিন্তু এই জয়ের চেয়েও বড় গল্প হলো একজন কিংবদন্তির অবিনাশী স্পৃহা। বয়স তাঁর শরীরে সংখ্যা লিখতে পারে, কিন্তু প্রতিভার উপর কোনো রেখা টানতে পারে না।
ফুটবলের ইতিহাসে অনেক মহান খেলোয়াড় এসেছেন, অনেকেই গেছেন। কিন্তু কিছু নাম সময়ের গণ্ডি ছাড়িয়ে চিরন্তন হয়ে ওঠে। লিওনেল মেসি সেই চিরন্তনতারই আরেক নাম। তিনি শুধু গোল করেন না, তিনি স্মৃতি তৈরি করেন। তিনি শুধু ম্যাচ জেতান না, তিনি প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখতে শেখান।
আর তাই বলা যায়—যতদিন ফুটবল থাকবে, ততদিন মেসির গল্পও বেঁচে থাকবে মানুষের হৃদয়ে, ইতিহাসের পাতায় এবং অসংখ্য স্বপ্নবাজ শিশুর চোখে।

]]>
https://the4thcolumn.com/news-desk-international-sports-football-messi/feed/ 0 25963
আলিপুরদুয়ার সংলগ্ন তুফানগঞ্জ থেকে উত্তরাখণ্ডে প্রথমবার ভুট্টা পরিবহন রেলের, আয় ৩০ লক্ষেরও বেশি | The 4th Column https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-tufanganj-to-rudrapur-uttarakhand-corn-transport/ https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-tufanganj-to-rudrapur-uttarakhand-corn-transport/#respond Fri, 29 May 2026 12:48:23 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=25959 নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ২৯ মে ২০২৬ :

কৃষি পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে একটি নতুন মাইলফলক ছুঁল ভারতীয় রেল। আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের পণ্য পরিবহনের মুকুটে যুক্ত হল নতুন পালক। এই প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের অন্তর্গত তুফানগঞ্জ (TFGN) স্টেশন থেকে সরাসরি উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপুর সিটি (RUPC) স্টেশনে মালগাড়িতে ভুট্টা বোঝাই করে সফলভাবে পাঠানো হলো। এই অভূতপূর্ব উদ্যোগ পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য যোগাযোগকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৭ মে, ২০২৬ তারিখে তুফানগঞ্জ স্টেশন থেকে রুদ্রপুর সিটি স্টেশনের উদ্দেশ্যে মোট ১৩১০.৪ টন ভুট্টা মালগাড়িতে বোঝাই করা হয়। এই বিপুল পরিমাণ কৃষিজ পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে রেলের ঘরে মালবাহী রাজস্ব (ফ্রেট রেভিনিউ) হিসেবে জমা হয়েছে ৩০ লক্ষ ২০ হাজার ৯৪৪ টাকা।
তুফানগঞ্জ এবং রুদ্রপুর সিটি— এই দুই স্টেশনের মধ্যে প্রথমবারের মতো এই মালবাহী চলাচল রেলভিত্তিক কৃষি রসদ বা এগ্রিকালচারাল লজিস্টিকস সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষকদের উৎপাদিত ভুট্টা এখন খুব সহজেই এবং দ্রুতগতিতে ভিনরাজ্যের বড় বাজারে পৌঁছে যেতে পারবে। এতে একদিকে যেমন কৃষকরা তাঁদের ফসলের ন্যায্য দাম পাবেন এবং লাভবান হবেন, অন্যদিকে ব্যবসায়ীদেরও বাণিজ্যিক প্রসার ঘটবে।
ভারতীয় রেল বরাবরই কৃষি পণ্যের পরিবহনের জন্য একটি দক্ষ, সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব মাধ্যম হিসেবে কাজ করে আসছে। এই নতুন উদ্যোগ কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি সেই পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থার ভূমিকাকেই আরও একবার জোরালোভাবে প্রমাণ করল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেলে তা আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক সহায়তা করবে। কৃষিজাত সামগ্রী দ্রুত এবং নিরাপদে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়ার ফলে পথিমধ্যে পণ্য নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও অনেকাংশে কমে যাবে। আগামী দিনে তুফানগঞ্জ-সহ আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের অন্যান্য প্রান্ত থেকেও এই ধরনের আরও কৃষিজ পণ্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো সম্ভব হবে বলে আশাবাদী রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল।

]]>
https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-tufanganj-to-rudrapur-uttarakhand-corn-transport/feed/ 0 25959
সরকারি ঘর বন্টনের পর ফালাকাটা কিষান মান্ডিতেও পার্কিং ফি নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ | The 4th Column https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-falakata-market-krishi-corruption/ https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-falakata-market-krishi-corruption/#respond Mon, 25 May 2026 20:15:33 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=25955 ডমরু ধর, দ্য ফোর্থ কলাম, ফালাকাটা, ২৫ মে ২০২৬:
ছবি সৌজন্য :- অন্তর্জাল

ফালাকাটা শহরের মার্কেট কমপ্লেক্সে সরকারি ঘর বন্টনে বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এল ফালাকাটা কিষান মান্ডি। ২০১৫ সালে ফালাকাটা শহরের উপকণ্ঠে গড়ে ওঠা এবং একসময়ে এশিয়ার সেরা কৃষক বাজারের শিরোপা পাওয়া এই বৃহৎ পাইকারি আনাজ বাজারটি বর্তমানে চরম অব্যবস্থা ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ। কৃষক থেকে শুরু করে আনাজ পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত চালকদের দাবি, শাসকদলের একশ্রেণির দুর্নীতিবাজ নেতার অঙ্গুলিহেলনে পার্কিং ফি-র নামে এখানে প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকার বেআইনি তোলাবাজি চলছে।
​পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে যুক্তদের অভিযোগ, বাজার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার অজুহাতে ছক কষে গাড়িপ্রতি মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করা হচ্ছে। গাড়ির চালক তমাল ঘোষ জানান, বড় লরির ক্ষেত্রে ২০০ টাকা, পিক-আপ ভ্যানে ১৫০ টাকা, তিন চাকার অটো বা টেম্পোতে ৫০ টাকা এবং টোটোর জন্য ১০ টাকা পার্কিং ফি দিতে হয়। গাড়ি যতবার বাজারে সবজি নিতে ঢুকবে, ততবারই বাধ্যতামূলকভাবে এই ফি দিতে হয়। প্রতিদিন গড়ে ৩০০-র বেশি গাড়ি বাজারে ঢোকে, যার ফলে রোজ প্রায় ৩০ হাজার টাকা আদায় হয় শুধুমাত্র একটি নামমাত্র স্লিপের বিনিময়ে।
​অথচ এই বিপুল পরিমাণ টাকা আদায়ের পরও বাজারের ন্যূনতম রক্ষণাবেক্ষণ হয় না। দক্ষিণ পারঙ্গেরপার লাগোয়া এই বাজারটিতে সামান্য বৃষ্টি হলেই জল থইথই করে। বাজারের ব্যবসায়ী স্বপন বিশ্বাস জানান, এখানকার দূষণ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে নাকে রুমাল দিয়েও টেকা দায়, কৃষক ও পাইকাররা নিয়মিত অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। একসময় প্রতিবেশী দেশ ভুটান থেকে প্রচুর ব্যবসায়ী আসলেও, বর্তমানে জোর যার মুল্লুক তার কায়দায় চলা এই বাজারের চরম অব্যবস্থার কারণে পাইকারদের সংখ্যা ক্রমশ কমছে।
​এই বিষয়ে ফালাকাটা কিষান মান্ডির আরএমসি সেক্রেটারি উত্তম ভৌমিককে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, বাজার পরিষ্কার রাখার জন্যই মূলত এই ফি নেওয়া হয়। কিন্তু বাজারের এমন বেহাল দশা কেন, সেই প্রশ্নের মুখে তিনি নিরুত্তর থাকেন। তৃণমূল নেতৃত্বের তরফেও এই অভিযোগ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে ফালাকাটার বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মন সরব হয়ে জানিয়েছেন, শাসকদলের নেতাদের মদতেই এই তোলাবাজি চলছে এবং তিনি অবিলম্বে আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসকের কাছে সব অভিযোগ লিখিত আকারে জানিয়ে তদন্তের দাবি করবেন।

]]>
https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-falakata-market-krishi-corruption/feed/ 0 25955
ফালাকাটার বংশীধরপুরে বুনো হাতি তাড়াতে গিয়ে আক্রান্ত বিট অফিসার সহ চার বনকর্মী | The 4th Column https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-falakata-local-people-attack-upon-forest-employee/ https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-falakata-local-people-attack-upon-forest-employee/#respond Mon, 25 May 2026 19:51:36 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=25952 জারুল রাভা, দ্য ফোর্থ কলাম, আলিপুরদুয়ার, ২৫ মে ২০২৬:
— AI জেনারেটেড ছবি, কাল্পনিক!

রবিবার গভীর রাতে লোকালয়ে ঢুকে পড়া বুনো হাতির দলকে জঙ্গলে ফেরত পাঠাতে গিয়ে গ্রামবাসীদের একাংশের হাতে আক্রান্ত হলেন বনদপ্তরের কর্মীরা। ফালাকাটা ব্লকের বংশীধরপুর এলাকায় ঘটা এই অনভিপ্রেত ঘটনায় এক বিট অফিসার-সহ মোট চারজন বনকর্মী আহত হয়েছেন। বিনা প্ররোচনায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং বনকর্মীদের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ফালাকাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বনদপ্তর।
​বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে জলদাপাড়া পশ্চিম রেঞ্জের ব্যাঙডাকি বিট সংলগ্ন বংশীধরপুর এলাকায় বুনো হাতির একটি দল তাণ্ডব চালাতে শুরু করে। খবর পেয়ে ব্যাঙডাকির বিট অফিসার হেম কুমার থাপার নেতৃত্বে একদল বনকর্মী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। অভিযোগ, হাতি তাড়ানোর কাজ শুরু করতেই ওই এলাকার বাসিন্দা সুভাষ বর্মন এবং তাঁর তিন ছেলে বিনা প্ররোচনায় বনকর্মীদের ওপর চড়াও হন। তাঁদের শারীরিকভাবে নিগ্রহ করার পাশাপাশি বনরক্ষীদের হাত থেকে বন্দুক কেড়ে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। হামলায় বিট অফিসার হেম কুমার থাপা-সহ চার বনকর্মী জখম হন।
​রবিবার রাত ২টো নাগাদ ফালাকাটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে আহত বনকর্মীদের প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। এরপর বনদপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নির্দেশে ফালাকাটা থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আক্রান্ত বনকর্মীরা। বনদপ্তর জানিয়েছে, অভিযুক্ত ওই পরিবারটির বিরুদ্ধে এর আগেও বনকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ রয়েছে।
​ঘটনার তীব্র নিন্দা করে জলদাপাড়া বনবিভাগের ডিএফও পারভীন কাসোয়ান বলেন, “আমাদের কর্মীরা লোকালয় থেকে হাতি তাড়ানোর সময় আক্রান্ত হয়েছেন, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আমরা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি।” অন্যদিকে, আলিপুরদুয়ার জেলার পুলিশ সুপার অমিত কুমার শাহ জানিয়েছেন, “পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। অভিযুক্তদের কোনোভাবেই রেয়াত করা হবে না।”

]]>
https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-falakata-local-people-attack-upon-forest-employee/feed/ 0 25952
জলদাপাড়ার জঙ্গলে ঘাস সংগ্রহের সময় গন্ডারের ভয়াবহ হামলায় নিহত পাতাওয়ালা, আহত মাহুত | The 4th Column https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-falakata-jaldapara-national-park-rhino-attack-one-killed/ https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-falakata-jaldapara-national-park-rhino-attack-one-killed/#respond Mon, 25 May 2026 19:35:15 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=25949 জারুল রাভা, দ্য ফোর্থ কলাম, আলিপুরদুয়ার, ২৫ মে ২০২৬:
–AI জেনারেটেড ছবি

জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের জঙ্গলে ঘটল এক মর্মান্তিক ও অস্বাভাবিক ঘটনা। কুনকি হাতির জন্য ঘাস সংগ্রহ করতে গিয়ে আচমকা একটি দামাল গন্ডারের আক্রমণের শিকার হলেন বনদপ্তরের কর্মীরা। এই ভয়াবহ হামলায় প্রবীর দাস (২৬) নামে এক পাতাওয়ালার মৃত্যু হয়েছে। চোখের সামনে সহকর্মীর এমন মর্মান্তিক মৃত্যু দেখে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন বরাতজোরে বেঁচে ফেরা মাহুত মনোজ খড়িয়া। গন্ডারের হামলায় জখম হয়েছে কুনকি হাতি পারমিতা ও ধর্মরাজও।
​বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বেলা ১টা নাগাদ জলদাপাড়া উত্তর রেঞ্জের শিল তোর্সা টাওয়ার সংলগ্ন গভীর জঙ্গলে প্রাত্যহিক টহলদারির কাজ সেরে কুনকি হাতি ধর্মরাজ ও পারমিতাকে নিয়ে ঘাস সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন মাহুত মনোজ ও পাতাওয়ালা প্রবীর। সেই সময় প্রায় ২০০ মিটার দূরে একটি পূর্ণবয়স্ক একশৃঙ্গ গন্ডার ঘাস খাচ্ছিল। জঙ্গলে হাতি ও গন্ডারের এই সহাবস্থান খুবই স্বাভাবিক দৃশ্য। সাধারণত কুনকি হাতিদের দেখলে বন্যপ্রাণীরা কিছুটা সমীহ করেই চলে। কিন্তু এদিন ঘটে যায় এক অভাবনীয় ঘটনা।
​সব নিয়ম ও হিসাব ওলটপালট করে দিয়ে আচমকাই মেজাজ হারায় ওই গন্ডারটি। চোখের নিমেষে তেড়ে এসে আক্রমণ করে পারমিতা ও ধর্মরাজকে। নিজেদের বাঁচাতে হাতি দুটি মরিয়া হয়ে উঠলে পিঠ থেকে মাটিতে ছিটকে পড়েন প্রবীর। অন্যদিকে, মাহুত মনোজ একটি উঁচু গাছের ডালে ঝুলতে গিয়ে ডাল ভেঙে মাটিতে পড়ে যান। এরপরই প্রবীরকে বাগে পেয়ে ধারালো জিভ দিয়ে ফালাফালা করে দেয় ক্রুদ্ধ গন্ডারটি। শারীরিক যন্ত্রণায় পালাতে না পারলেও, গন্ডারটি হঠাৎ জঙ্গলের গভীরে চলে যাওয়ায় কোনোক্রমে প্রাণ বাঁচে মনোজের।
​খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান বনকর্মীরা। তাঁদের উদ্ধার করে মাদারিহাট প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা প্রবীরকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত প্রবীর খাঁউচাঁদপাড়ার বাসিন্দা এবং তাঁর আয়েই সংসার চলত। জখম মাহুত ও দুই হাতির চিকিৎসা শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় চিন্তিত বনকর্তারা জানিয়েছেন, এটি অত্যন্ত অস্বাভাবিক আচরণ। আগামী দিনে জঙ্গলে প্রবেশের ক্ষেত্রে নতুন করে সুরক্ষার কথা ভাবতে হবে বনদপ্তরকে। নিহতের পরিবারকে নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

]]>
https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-falakata-jaldapara-national-park-rhino-attack-one-killed/feed/ 0 25949
চেংমারিটারিতে নদী ভাঙনের স্থায়ী সমাধানে প্রশাসনের দ্বারস্থ গ্রামবাসীরা, নতুন সরকারের কাছে আশায় | The 4th Column https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-chyangmari-nadi-vangan-problem/ https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-chyangmari-nadi-vangan-problem/#respond Mon, 25 May 2026 08:22:15 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=25946 জারুল রাভা, দ্য ফোর্থ কলাম, আলিপুরদুয়ার, ২৫ মে ২০২৬:

আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটা ব্লকের চেংমারিতারি গ্রামে প্রতি বছর বর্ষা মানেই এক চরম আতঙ্কের নাম। বর্ষার সময় কোলি নদীর আগ্রাসী রূপ গিলে খায় এলাকার বিঘার পর বিঘা কৃষিজমি, তলিয়ে যায় বহু বসতবাড়ি। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নদীর ডান তীরে একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন এই এলাকার বাসিন্দারা। কিন্তু ১৩ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও অজস্র প্রতিশ্রুতির পরেও মেলেনি কোনো স্থায়ী সমাধান। তবে রাজ্যে নতুন সরকার আসতেই পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে বলে মনে করছেন গ্রামবাসীরা। অবশেষে সোমবার চেংমারিতারি গ্রামের পার্ট নং- ২৯/১৩ এবং ২৮/১৩-এর ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের একটি প্রতিনিধি দল আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসকসহ প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে পুনরায় একটি জরুরি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন।
গ্রামবাসীদের পক্ষে মোসাব্বর আহমেদ জানান, ২০১৩ সাল থেকে তারা লাগাতার বিডিও, জেলাশাসক এবং সেচ দপ্তরের এক্সেকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের কাছে আবেদন জানিয়ে আসছেন। এই দীর্ঘ লড়াইয়ের পর গত বছর একটি অফিসিয়াল মেমো ইস্যু করা হয়। গ্রামবাসীদের দাবি অনুযায়ী, কোলি নদীর ডান তীরে বাঁধ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে ইতিমধ্যে একটি প্রকল্প স্কিম তৈরি ও স্যাঙ্কশনও করা হয়েছে। কিন্তু প্রকল্পের সমস্ত হিসাব-নিকাশ এবং অনুমোদন হওয়া সত্ত্বেও কেন কাজ শুরু করতে এত দেরি হচ্ছে, তা নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন তারা। এক ভুক্তভোগী বাসিন্দা আক্ষেপ করে বলেন, “প্রতি বছর বর্ষায় আমরা সর্বস্বান্ত হই। একটি পরিবারকে এই কয়েক বছরে ছ-সাত বার করে ঘর পরিবর্তন করতে হয়েছে। যেখানে বাঁধের স্কিম সরকার পাস করে দিয়েছে, সেখানে কাজে কেন এত ঢিলেমি?” আসন্ন বর্ষার আগেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করার দাবি তুলেছেন তারা।
স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পাশাপাশি, রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ও সেচ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি— আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গা ও ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মনের মাধ্যমেও বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আবেদন জানিয়েছেন তারা। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে জেলাশাসকের সাথে দেখা করার চেষ্টা করলেও তারা ব্যর্থ হচ্ছিলেন। তবে গত ২৩ তারিখে ইমেইল করার পর নতুন সরকারের তৎপরতায় দ্রুত সাড়া মেলে। সোমবার তারা সরাসরি জেলাশাসকের সাথে দেখা করে নিজেদের কষ্টের কথা জানিয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের এই নতুন তৎপরতায় চেংমারিটারির বাসিন্দারা আসন্ন বর্ষার আগেই নদী ভাঙনের এই ভয়াল অভিশাপ থেকে চিরতরে মুক্তি পান কি না। প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের এই যৌথ প্রয়াস সফল হলে দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময়ের যন্ত্রণার অবসান ঘটবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

]]>
https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-chyangmari-nadi-vangan-problem/feed/ 0 25946
স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে এবার কর্মীদের জন্য বায়োমেট্রিক হাজিরা বাধ্যতামূলক | The 4th Column https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-health-biometric-attendance-must-for-all-staffs/ https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-health-biometric-attendance-must-for-all-staffs/#respond Sun, 24 May 2026 19:59:04 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=25943 জারুল রাভা, দ্য ফোর্থ কলাম, আলিপুরদুয়ার, ২৪ মে ২০২৬:
–AI জেনারেটেড ছবি

জেলার সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে কর্মসংস্কৃতি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করল আলিপুরদুয়ার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। দীর্ঘদিন ধরে একাংশ স্বাস্থ্য কর্মীর গাফিলতি এবং সময়ানুবর্তিতার অভাব নিয়ে বিস্তর অভিযোগ জমা হচ্ছিল। এবার এই ফাঁকিবাজি ও দুর্নীতি রুখতে আলিপুরদুয়ার জেলার স্থায়ী স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য বায়োমেট্রিক হাজিরা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই মর্মে একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (CMOH) সুমিত গঙ্গোপাধ্যায়।
স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে রূপায়ণের জন্য কারিগরি সহায়তার প্রয়োজন। সেই উদ্দেশ্যে শিলিগুড়ির পূর্ত বিভাগের আইটি শাখার কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। অভিযোগ রয়েছে যে, বিগত তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনামলে শাসক দলের মদতপুষ্ট এক শ্রেণির স্বাস্থ্য কর্মী কর্মসংস্কৃতিকে সম্পূর্ণ শিকেয় তুলেছিলেন। তারা নিজেদের ইচ্ছেমতো কাজ করতেন এবং বিভিন্ন বেআইনি ও দুর্নীতিমূলক কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন। সম্প্রতি রাজ্যে পালাবদলের পর, এই সমস্ত উচ্ছৃঙ্খল এবং দায়বদ্ধতাহীন কর্মীদের কড়া হাতে দমন করতে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের কড়া নির্দেশিকা এসেছে। সেই নির্দেশিকা মেনেই এবার এই অবস্থান নিয়েছেন আলিপুরদুয়ারের সিএমওএইচ।
জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতাল, বীরপাড়া রাজ্য সাধারণ হাসপাতাল, ফালাকাটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল সহ জেলার মোট ৭টি গ্রামীণ হাসপাতাল এবং ১৩টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সমস্ত স্থায়ী কর্মীকে এই বায়োমেট্রিক হাজিরার আওতায় আনা হবে। নিয়ম অমান্য করলে কিংবা ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য আধিকারিকরা স্বীকার করেছেন যে, গত ২০ মে তারিখে জেলার প্রতিটি সরকারি হাসপাতাল ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তবে এই কড়া নির্দেশিকার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুমিত গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে এবং এসএমএসের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তিনি কোনো উত্তর দেননি।

]]>
https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-health-biometric-attendance-must-for-all-staffs/feed/ 0 25943
আলিপুরদুয়ারে টোটোয় বেআইনি পণ্য পরিবহন রুখতে কড়া পুলিশ, নিয়ম ভাঙলে কড়া ব্যবস্থা | The 4th Column https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-police-strict-action-against-toto-goods-transportation/ https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-police-strict-action-against-toto-goods-transportation/#respond Sun, 24 May 2026 19:38:46 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=25940 জারুল রাভা, দ্য ফোর্থ কলাম, আলিপুরদুয়ার, ২৪ মে ২০১৬:
— AI জেনারেটেড ছবি

জেলা জুড়ে টোটো এবং ই-রিক্সায় অবৈধ পণ্য পরিবহন রুখতে এবার কড়া অবস্থান গ্রহণ করল আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিশ। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে টোটোতে অতিরিক্ত ও ভারী পণ্য পরিবহনের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, আর এই বিষয়টি পুলিশের নজরে আসার পরেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, টোটো বা ই-রিক্সা শুধুমাত্র যাত্রী পরিবহনের জন্যই অনুমোদিত। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, এক শ্রেণির টোটো চালক সেই নিয়মের কোনো তোয়াক্কা না করে সামান্য কিছু অতিরিক্ত উপার্জনের লোভে মারাত্মক ঝুঁকি নিচ্ছেন। শহরের ব্যস্ত রাস্তা হোক বা গ্রামীণ জনপদ—সর্বত্রই টোটোতে সিমেন্টের বস্তা থেকে শুরু করে ভারী লোহার রড অনায়াসেই বহন করা হচ্ছে। এর ফলে টোটোর ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে প্রায়শই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন চালক, যাত্রী এবং সাধারণ পথচারীরা। ট্রাফিক আইনকে এভাবে দিনের পর দিন লঙ্ঘন করা মেনে নিতে নারাজ পুলিশ প্রশাসন।
তবে পুলিশ প্রশাসন এখনই কোনো কড়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপে যাচ্ছে না। প্রাথমিকভাবে জেলার প্রতিটি থানা এবং পুলিশ ফাঁড়ির অন্তর্গত টোটো ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই আলোচনার মাধ্যমে টোটোতে পণ্য পরিবহন পুরোপুরি বন্ধ করার আর্জি জানাবে পুলিশ। পুলিশ কর্তারা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, এই সতর্কবার্তায় যদি কোনো কাজ না হয় এবং চালকরা যদি নিজেদের সংশোধন না করেন, তবে পরবর্তীতে আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে প্রশাসন।
প্রশাসনের প্রাথমিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আলিপুরদুয়ার জেলায় বর্তমানে কয়েক হাজার টোটো চলাচল করে। এছাড়া পার্শ্ববর্তী জেলা কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি থেকেও প্রতিদিন বহু টোটো এই জেলায় প্রবেশ করে। এই প্রসঙ্গে জেলা পুলিশের ট্রাফিক ডিএসপি শান্তনু তরফদার জানিয়েছেন, “কারোর পেটে লাথি মারার উদ্দেশ্য আমাদের নেই। তবে টোটোতে আইন ভেঙে পণ্য পরিবহন করতে দেওয়া হবে না। সেই যুক্তিকে মাথায় রেখে আমরা প্রাথমিক অবস্থায় টোটো ইউনিয়নগুলির সঙ্গে আলোচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশা করছি সবার সহযোগিতা মিলবে।”

]]>
https://the4thcolumn.com/news-desk-alipurduar-police-strict-action-against-toto-goods-transportation/feed/ 0 25940
অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানায় তাপপ্রবাহে মৃত ৪০ জনের বেশি, বিপর্যস্ত জনজীবন ও প্রাণীকুল |The 4th Column https://the4thcolumn.com/news-desk-india-andhra-telengana-heat-stroke-cause-death/ https://the4thcolumn.com/news-desk-india-andhra-telengana-heat-stroke-cause-death/#respond Sun, 24 May 2026 15:51:40 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=25937 নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ২৪ মে ২০২৬ :

তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানা, দু’দিনে মৃত ৪০-এর অধিক
অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তেলেঙ্গানায় তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি এক ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বিগত ৪৮ ঘণ্টায় এই দুই রাজ্যে প্রবল গরমের কারণে ৪০ জনেরও বেশি মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। প্রাপ্ত প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, শুধুমাত্র তেলেঙ্গানাতেই হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৩০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। অন্যদিকে, অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়াতেও ১০ জনের মৃত্যুর খবর সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই চরম আবহাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মূলত প্রবীণ নাগরিক, দিনমজুর, পথবাসী এবং যাঁরা দীর্ঘক্ষণ সরাসরি সূর্যের আলোর নিচে কাজ করতে বাধ্য হন।
রাজ্য দুটির একাধিক স্থানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি অতিক্রম করেছে। এমনকি কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় তাপমাত্রার পারদ ৪৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠে গিয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে। দুপুরের পর থেকে রাস্তাঘাট একেবারে জনশূন্য হয়ে পড়ছে। হাসপাতালগুলিতে হিটস্ট্রোক, জলশূন্যতা এবং চরম ক্লান্তির উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের ভিড় অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতর ও জেলা প্রশাসনকে এই জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।
এই প্রাণঘাতী তাপপ্রবাহের প্রভাব শুধু মানবসমাজেই সীমাবদ্ধ নেই, বন্যপ্রাণী ও গবাদি পশুর উপরেও এর ধ্বংসাত্মক প্রভাব পড়ছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, প্রচণ্ড গরমে শয়ে শয়ে বাদুড় গাছ থেকে লুটিয়ে পড়ে মারা যাচ্ছে। পাশাপাশি, বহু গবাদি পশুরও মৃত্যু ঘটেছে। বিদ্যুতের অতিরিক্ত চাহিদা এবং প্রবল গরমের কারণে বিকল হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে বেশ কিছু জায়গায় ট্রান্সফরমারের উপর ক্রমাগত জল ঢেলে ঠান্ডা রাখার মরিয়া চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা উপলব্ধি করে তেলেঙ্গানা সরকার ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। হিটস্ট্রোকে মৃতদের পরিবারবর্গের জন্য মাথাপিছু ৪ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করা হয়েছে। উল্লেখ্য, রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই ‘হিটওয়েভ’ এবং ‘সানস্ট্রোক’-কে ‘স্টেট স্পেসিফিক ডিজাস্টার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। এই সিদ্ধান্তের ফলেই বর্তমানে বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল থেকে সরাসরি এই আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আগামী দিনে এমন পরিস্থিতি এড়াতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।

]]>
https://the4thcolumn.com/news-desk-india-andhra-telengana-heat-stroke-cause-death/feed/ 0 25937