নিউজ ডেস্ক, দ্য ফোর্থ কলাম, ৬আগস্ট’১৯:-

ছবি সৌজন্য -অন্তর্জাল
অপেক্ষায় সারা দেশ, এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছে ভারত। ইসরোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চন্দ্রযান – ২ আজ মধ্য রাতে চাঁদের মাটিতে পা রাখতে চলেছে। শুক্রবার রাতে ইসরোর বিজ্ঞানীদের সঙ্গে, সারা দেশের মানুষ রাত জাগবে। ভারতীয় সময় ১ থেকে ২টোর মধ্যে চাঁদের মাটিতে সফট ল্যান্ডিং করবে বিক্রম। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের, সরাসরি ভিডিও সম্প্রচার করবে ইসরোর ব্যাঙ্গালুরুর কন্ট্রোল রুম।
চন্দ্রযান -২ সফল হলে, সোভিয়েত ইউনিয়ন, আমেরিকা ও চীনের পর বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে ভারত, চাঁদের মাটি ছোঁয়ার কৃতিত্ব অর্জন করবে। জানা গিয়েছে, চন্দ্রযান – ২ অবতরণের আগের পনেরো মিনিট মুহূর্তটি সবচেয়ে দুশ্চিন্তার মুহূর্ত। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, দুশ্চিন্তার মুহূর্ত শুরু হবে রাত ১টা ৪০মিনিটে। অবতরণের অন্তিম পনেরো মিনিট কেটে যাবার পরেই, ওই অঞ্চলের প্রথম ছবি পাঠাবে বিক্রম। অবতরণের চার ঘণ্টা পর, ভেতর থেকে বেরিয়ে কাজ করবে ‘রোভার’ প্রজ্ঞান।
ভারতের চন্দ্র অভিযান সফল হলে, দক্ষিণ মেরু অঞ্চলেকেই নাসা, নিজেদের অবতরণের জন্য বেছে নেবে। সূত্রের খবর, এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাফল্যের অংশীদার হওয়ার জন্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্যাঙ্গালুরুতে উপস্থিত থাকবেন। তার সাথে থাকবেন ৬০ জন পড়ুয়া, যার মধ্যে রয়েছে বাংলা দুই মেধাবী পড়ুয়াও।
চন্দ্রযান-২ এর ল্যান্ডার বিক্রম এর লক্ষ্য এখন শুধুই চাঁদ। জানা যায়, এখন চন্দ্রযান ২ এর প্রতিটি পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ। মহাকাশ থেকে সে যা তথ্য পাঠাচ্ছে তা ইসরোর কম্পিউটারে বন্দি হচ্ছে। তা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। ল্যান্ডর জোরে চাঁদের মাটি স্পর্শ করলে চলবে না। চাঁদের দক্ষিণ ভাগে চড়াই-উতরাই,খাদ, টিলা রয়েছে, তার জন্য বিক্রম কোথায় গিয়ে ল্যান্ড করবে তার বিজ্ঞানীদের ভাবাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, এ বছরই ইজরায়েল তাদের সফট ল্যান্ডিং করাতে অক্ষম হওয়ায় অভিযান অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তাই ইসরোর বিজ্ঞানীরা প্রতিটি বিষয় নিখুঁতভাবে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। প্রজ্ঞান সফল হলে, সারা পৃথিবীর সামনে চাঁদের অন্ধকার দিকের ছবি তুলে ধরবে। এখন অপেক্ষা মাত্র কয়েক ঘণ্টা ।