উত্তরবঙ্গ https://the4thcolumn.com Wed, 22 May 2019 13:11:15 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=5.1.1 161066102 ইফতারে খাবার খেয়ে অসুস্থ প্রায় ৮০ জন : পরিচর্যায় স্বাস্থ্য প্রশাসন https://the4thcolumn.com/uttarbango-balurghat-iftar-parti-food-poisoning-eighty-person-hospitalized/ https://the4thcolumn.com/uttarbango-balurghat-iftar-parti-food-poisoning-eighty-person-hospitalized/#respond Wed, 22 May 2019 13:11:15 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=1099 নিজস্ব সংবাদদাতা, বালুরঘাট, ২২মে’১৯ :-

মঙ্গলবার রাতে কুশমণ্ডির নানাহারপাড়া এলাকায় ইফতার পার্টির আয়োজন হয়েছিল । এলাকার পুরুষ মহিলা মিলিয়ে প্রায় ৮০ জন বাসিন্দা ওই পার্টিতে অংশগ্রহণ করেন । যেখানে খাবার খেয়ে প্রত্যেকেই কম-বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে খবর । খাদ্যে বিষক্রিয়ার ফলেই এমন অসুস্থতা বলে মনে করা হচ্ছে । এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে গ্রামে পৌছায় স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল টিম । বিষয়টিতে নজর রাখছে ব্লক প্রশাসনও । স্থানীয় বাসিন্দা জিয়ারুল হক জানান, নানাহারপাড়া এলাকার মসজিদে ইফতার পার্টির আয়োজন হয়েছিল । সেখান থেকে খাবার খেয়ে ফেরার পরেই একে একে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন । অসুস্থদের মধ্যে কয়েকজন মহিলা ও শিশু রয়েছে। কুশমণ্ডির সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক মহম্মদ জাকিরা জানান, পুরো বিষয়টির উপর নজর রাখছে প্রশাসন । অসুস্থদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে ।

]]>
https://the4thcolumn.com/uttarbango-balurghat-iftar-parti-food-poisoning-eighty-person-hospitalized/feed/ 0 1099
রাত পোহালেই ভোট গণনা : মশা মারতে প্রশাসনিক ভবন চত্বরে কামান দাগল প্রশাসন https://the4thcolumn.com/uttar-bango-apd-mosquito-repelent/ https://the4thcolumn.com/uttar-bango-apd-mosquito-repelent/#respond Wed, 22 May 2019 12:32:27 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=1095 নিউজ ডেস্ক , দ্য ফোর্থ কলাম , ২২ মে’১৯ :-

রাতে তো রয়েছেই, দিনেও খানিকক্ষণ হা করে থাকলেই দু একটা মশা মুখে ঢুকবে এমনটাই টিপ্পনী আলোচনা দেখে আসছে জেলা শহর আলিপুরদুয়ার, গত দুমাস ধরে । কিন্তু সাধারণ মানুষ তথা তাদের সাধারন জীবন যাত্রায় মশার উৎপাত যদিও বা সহ্য করা যায় ,কিন্তু দেশের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক ভোট উৎসব এর ফল গণনাকালে , এই মশার কামড়ে সৃষ্ট বিরক্তিকর পরিস্থিতি সহ্য করা ! নৈব নৈব চ । ভোট গণনার আগের দিন ,ভোট গণনায় যাতে মশা কোন উৎপাত না হয়ে দাঁড়ায়, সম্ভবত তা মাথায় রেখেই, বুধবার আলিপুরদুয়ারের প্রশাসনিক ভবন ডুয়ার্স কন্যা চত্বরে এন্তার মশা মারার কামান দাগল আলিপুরদুয়ার প্রশাসন । মশা কামান দাগা হয়েছে আলিপুরদুয়ার কলেজ চত্বরেও , যেখানে আগামীকাল শুরু হবে আলিপুরদুয়ার লোকসভা আসনের ভোট গণনা ।

]]>
https://the4thcolumn.com/uttar-bango-apd-mosquito-repelent/feed/ 0 1095
তবু একটি স্বপ্নপূরণ : উত্তরের দুই মফস্বলের মাধ্যমিক যাপনবিন্যাসে শৌভিক রায়ের বিশেষ কলাম https://the4thcolumn.com/uttar-bango-madhyamik-bishesh-column-shouvik-roy/ https://the4thcolumn.com/uttar-bango-madhyamik-bishesh-column-shouvik-roy/#respond Wed, 22 May 2019 04:21:38 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=1090 তবু একটি স্বপ্নপূরণ …
শৌভিক রায়

দু’টি জনপদ। দূরত্ব অনেকটাই। কিন্তু চরিত্র বা স্বভাবে মিল অনেকটাই। আর আজ তো তারা দু’জনেই মিলে গেল। তাদের মিলিয়ে দিল এই দুই জনপদের দুই ষোড়শী- শ্রেয়সী ও দেবস্মিতা।
বলছি ফালাকাটা আর তুফানগঞ্জের কথা। সাবেক জলপাইগুড়ি জেলার ফালাকাটা ১৮৬৯ সালে জলপাইগুড়ি জেলা গঠনের সময় মহকুমার মর্যাদা পেয়েছিল। কিন্তু মাত্র পাঁচ বছর পর ১৮৭৪ সালে ফালাকাটা থেকে বৃটিশরা মহকুমা সরিয়ে নেয়। নতুন মহকুমা হয় বক্সা। হালে জলপাইগুড়ি ভেঙে আলিপুরদুয়ার জেলা হলে ‘পর ফালাকাটা এখন নতুন জেলার অধীন। আয়তনে ফালাকাটার মতো হলেও, প্রশাসনিক মর্যাদায় কিন্তু তুফানগঞ্জের মর্যাদা তুলনায় বেশী কেননা শহরটি কোচবিহার জেলার অন্যতম একটি মহকুমা।
দুটি জনপদই অত্যন্ত প্রাচীন। কোচরাজের সঙ্গে ভুটানরাজার বহু যুদ্ধের সাক্ষী এই দুটি জায়গা। তুফানগঞ্জ ভুটানের অন্তর্ভূক্ত না হলেও ইতিহাস কিন্তু বলছে ফালাকাটা দীর্ঘদিন ভুটানের অন্তর্গত ছিল। কবে কিভাবে ফালাকাটা ভুটানের হাতছাড়া হয় তার প্রামাণ্য ইতিহাস না পাওয়া গেলেও ফালাকাটার কাছে ভুটনিরঘাট (ভুটানির ঘাট), ফালাকাটা টাউন ক্লাবের মাঠে ভুটানিদের ঘোড়দৌড়ের আয়োজন ইত্যাদি প্রমাণ করে যে ফালাকাটা ভুটানের বেশ প্রিয় ছিল।
অদ্ভুত আর একটি মিল রয়েছে এই জনপদ দুটির। ফালাকাটা ও তুফানগঞ্জ দুটি শহরই ডুয়ার্সের খুব কাছে কিন্তু পুরোপুরি তাদের ডুয়ার্স হয়তো বলা চলে না। অথচ এই দুই জায়গা থেকে দু’পা এগোলেই মায়াময় ডুয়ার্স শুরু। ডুয়ার্সের না হয়েও ডুয়ার্সের ফ্লেভার কিন্তু উপস্থিত দু’জায়গাতেই। রয়েছেন জনজাতি মানুষ। চা-বাগান, অরণ্য, বন্যপ্রাণ, নদী, অদূরের ভুটান পাহাড়….সব মিলে দুই জনপদই নিজের মতো করে সুন্দর।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে মিল অভাবেও। আসলে অনেক না পাওয়া সঙ্গী এই দুই জনপদের। আবার পেয়েও হারানোর বেদনাও অনুভব করেছে ফালাকাটা ও তুফানগঞ্জ। আগেই বলেছি যে, ফালাকাটা একটা সময় মহকুমা ছিল। ফালাকাটা থানার বয়স সার্ধশতবর্ষ স্পর্শ করেছে। ডুয়ার্স ও তার সংলগ্ন এলাকায় এত প্রাচীন থানা পাওয়া দুষ্কর। কিন্তু অদ্ভুতভাবে ফালাকাটা আজও গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে। পৌরসভার মর্যাদাটুকুও ফালাকাটা পায় নি। নতুন জেলা গঠিত হলে ফালাকাটাবাসী স্বপ্ন দেখেছিল যে, তাদের বহুদিনের প্রত্যাশা মহকুমা হিসেবে ফালাকাটাকে দেখা হয়তো এবার পূর্ণ হবে। কিন্তু না, আজও তা অধরা। একটি কৃষিমান্ডি গঠিত হলেও তা যথেষ্ট নয়। মনে রাখতে হবে যে, আলিপুরদুয়ার জেলার অন্যান্য ব্লকের তুলনায় ফালাকাটা কৃষিপণ্য উৎপাদনে অনেকটা এগিয়ে। মুজনাই, বুড়িতোর্ষা, দোলন ইত্যাদির মতো নদীগুলি এখানকার মাটিকে এতটা উর্বর করেছে যে সারা জেলার শস্য সরাবরাহ করেও ফালাকাটার কৃষিপণ্য অন্যত্র পাড়ি দিচ্ছে। কিন্তু তুলনায় হিমঘর বা কৃষিমান্ডির অভাব রয়েছে। ফালাকাটার আছে থাকা কুঞ্জনগর থেকে বন্যপ্রাণ নিয়ে যাওয়া হয়েছে অন্যত্র। ফলে কুঞ্জনগরের মতো লাভজনক একটি ইকো পার্ক ধুঁকছে। দক্ষিণ খয়েরবাড়ির অবস্থাও শোচনীয়। উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পার্কের সুন্দর চেহারায় আজ দাগ লেগেছে। কষ্ট হয়। ফালাকাটা রেলস্টেশন ছুঁয়ে দূরপাল্লার ট্রেনরা নানাদিকে গেলেও ফালাকাটায় তারা থামে না। দূরের ট্রেন ধরতে ফালাকাটাবাসীর ভরসা সেই নিউ কোচবিহার বা নিউ জলপাইগুড়ি বা কিছু ক্ষেত্রে ধূপগুড়ি। অথচ ভারতীয় রেলের আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ আসে ফালাকাটা থেকেই। ভুটান, বীরপাড়া, মাদারিহাট-সহ একটি বড় অংশের লোকেরা কিন্ত আজও ফালাকাটার ওপর অনেক অংশে নির্ভরশীল। ভাবতে খারাপ লাগে যে, কোচবিহার-শিলিগুড়ি রাজ্য সড়কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হয়েও ফালাকাটায় আজ অবধি একটি বাসস্ট্যান্ড হল না। রাস্তার ওপর প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীদের ওঠানামা করতে হয়। কয়েকদিন আগে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনা থেকেও যদি প্রশাসন শিক্ষা না নেয় তার চেয়ে দুর্ভাগ্যজনক কিছু হতে পারে না।

তুফানগঞ্জের অবস্থা কি খুব ভাল? না। কোচবিহার জেলার অন্যতম পুরোনো মহকুমা হওয়া সত্ত্বেও তুফানগঞ্জ ধুঁকছে নানা সমস্যায়। মহকুমা হওয়ার দরুণ কোর্ট চত্বরে ভীড় লেগে থাকে। হাটবার হলে তা আরও বাড়ে। ফলে জ্যামজট এখানকার নিত্য সমস্যা। শহরে মূল রাস্তা একটি হওয়ার জন্য প্রচন্ড চাপ সে পথে। স্টেশন রয়েছে তুফানগঞ্জে কিন্তু ট্রেন নেই সে অর্থে। ভরসা আলিপুরদুয়ার বা কোচবিহার। আসাম খুব কাছে বলে তুফানগঞ্জের পাশ দিয়ে চলে যাওয়া জাতীয় সড়কে ট্রাকের লাইন ও দুর্ঘটনা প্রায় প্রতিদিনের ঘটনা। ঢিল ছোঁড়া দূরত্বের রসিকবিল একসময় পর্যটকদের নয়নের মণি হলেও আজ হাল খুব খারাপ। দেখে কষ্ট হয়। চিকিৎসা পরিসেবাও তথৈবচ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই রুগীকে রেফার করে দেওয়া হয়। ফালাকাটাতেও সুপার স্পেশালিটি হসপিটাল থাকলেও চিকিৎসা সুবিধার অভাব প্রকট।
এত কিছু ‘নেই’-এর মাঝে আজ যখন দুই জনপদের দুই কন্যা মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় যুগ্মভাবে দ্বিতীয় স্থান লাভ করে তখন কেন যেন মনে হয় ‘মেলালেন তিনি ঠিক মেলালেন’। না যদি মেলাবেন তবে কিভাবে সম্ভব হল এই মেলবন্ধন! তুফানগঞ্জ এর আগেও এই স্বাদ পেয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিকে তুফানগঞ্জ একবার পশ্চিমবঙ্গে প্রথম স্থানাধিকারীকে পেয়েছিল। কিন্তু ফালাকাটা সে অর্থে এইবারই প্রথম এই খ্যাতি অর্জন করল। এর আগে বহুবার প্রত্যাশা জাগলেও বা কাছাকাছি পৌঁছেও সেই স্থান পায় না ফালাকাটা। আজ ফালাকাটার শ্রেয়সীর হাত ধরে ফালাকাটা পৌঁছে গেল সেই ‘এলিট’ ক্লাসে।
আসলে অভাব থাকলেও, না পাওয়ার বেদনা থাকলেও ফালাকাটা বা তুফানগঞ্জের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অত্যন্ত গর্ব করার। পাশাপাশি রয়েছে পড়াশোনার সুস্থ প্রতিযোগিতা। ফালাকাটা হাই স্কুল এক সময় এই তল্লাটে একমাত্র বিদ্যালয় ছিল যেখানে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীতে সায়েন্স আর্টস কমার্স পড়ানো হত। সে আমলে মাদারিহাট, জটেশ্বর, বীরপাড়া, শিলবাড়িহাট ইত্যাদি জায়গা থেকে ফালাকাটা হাই স্কুলে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে আসতো ছাত্র ছাত্রীরা। ফালাকাটা গার্লস হাই স্কুল বা যাদবপল্লী হাই স্কুলও ঐতিহ্যে কম যায় না। তুফানগঞ্জের নৃপেন্দ্রনারায়ণ মেমোরিয়াল হাই স্কুল-সহ ইলা দেবী গার্লস ও অন্যান্য বিদ্যালয়গুলিও সুপ্রাচীন। এই সুস্থ পরিবেশ, পড়াশোনার প্রতি ছাত্রছাত্রীদের টান, অভিভাবক-অভিভাবিকাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দক্ষ প্রশিক্ষণ এবং সর্বোপরি ‘আমরাও পারি’ গোছের হার না মানা মানসিকতা আজ ‘আলো’ আনতে পেরেছে এই দুই শহরে। ভেবে আরও ভাল লাগছে যে, শিলবাড়িহাট বা পলাশবাড়ির মতো একটি ছোট্ট জনপদ যার অস্তিত্ব সম্পর্কে হয়তো জেলার লোক সেভাবে ওয়াকিবহাল নয়, সেই শিলবাড়িহাট থেকেও মেধাতালিকায় জায়গা করে নিয়েছে মেধাবী ছাত্র জয়েস রায়। তুফানগঞ্জের ইলা দেবী গার্লসের গায়েত্রী মোদকের কৃতিত্বও বিরাট। একই কৃতিত্ব শীতলকুচি হাই স্কুলের শাহনেওয়াজ আলমের।
প্রাচুর্যে নয়। এই ছাত্র ছাত্রীরা সকলেই বড় হয়েছে মধ্যবিত্ত পরিবারে খানিকটা অভাব অনটন নিয়েই। এখানেই মিলে গেছে এই ছোট ছোট জনপদগুলির সাথে তাদের ব্যক্তিগত জীবন। আর সেজন্যই বোধহয়ে দু’য়ে দু’য়ে মিলে যে অভিঘাত সৃষ্টি হয়েছে তা এতটাই তীব্র যে, মাধ্যমিকের মতো জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় এই ছাত্রছাত্রীরা শ্রেষ্ঠ উপহার দিতে পেরেছে।
মানুষ যেমন জনপদ তৈরী করে, তেমনি কোনো জনপদ একজন ব্যক্তিমানুষকেও তৈরী করে। বঞ্ছনা, অভাব, অভিযোগ….সব দূরে আজ। আজ কেবল আনন্দ।

জলের দাগ লেগেছে যে …
জলের দাগ যদি একবার লাগে, তা আর ওঠানো যায় না … এক জীবনেও!

লেখক – শিক্ষক ,আলোকচিত্রী ও সাহিত্যনুরাগী ।

]]>
https://the4thcolumn.com/uttar-bango-madhyamik-bishesh-column-shouvik-roy/feed/ 0 1090
জেলা আলিপুরদুয়ারের শিক্ষা ইতিহাসে নয়া নক্ষত্র ফালাকাটার শ্রেয়সী : মাধ্যমিকে দ্বিতীয় (যুগ্ম): জয়জয়কার মফস্বলের https://the4thcolumn.com/uttar-bango-falakata-shreyosi-second-in-madhyamik-mofoswol/ https://the4thcolumn.com/uttar-bango-falakata-shreyosi-second-in-madhyamik-mofoswol/#respond Tue, 21 May 2019 17:47:16 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=1083 নিউজ ডেস্ক , দ্য ফোর্থ কলাম, ২১ মে’১৯ :-

রাজ্যের নতুন জেলা আলিপুরদুয়ার । ডুয়ার্সের শিক্ষা ও সংস্কৃতির অঘোষিত রাজধানী । কিন্তু , জেলার শিক্ষা ইতিহাস আগে কখনো সাক্ষী থাকে নি । মাধ্যমিক পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান প্রাপ্তি । এবং মঙ্গলবার সেই ইতিহাস লিখল ফালাকাটা , শ্রেয়সীর হাত ধরে , থুড়ি রেজাল্ট ধরে । স্থান কিংবা স্কুল অথবা যে কোনো প্রতিবন্ধকতা যে,কোনো বাধাই নয় তা প্রমান করে দিলো শ্রেয়সী।শ্রেয়সী পাল, এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যের মধ্যে যুগ্ম দ্বিতীয় স্থান অধিকারি।প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১।আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটা গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী। প্রাথমিক স্তর থেকে টেস্ট পরীক্ষায় বরাবর ক্লাসে প্রথম হয়েছে এসেছে সে।একেবারেই নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে।বাবা শ্যামাপ্রসাদ পাল অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষক। মা বিশাখা পাল গৃহবধু।দিদি সোলাঙ্কি বিএসসি পাশ করে চাকরির চেষ্টা করছে।আবৃত্তি, নাচ আর ক্রিকেটের নেশার পাশাপাশি পড়াশোনাটাও মন দিয়ে করতো শ্রেয়সী। তবে তা কখনই বাঁধা ছকে নয়।মোট সাতজন গৃহশিক্ষক ছিলেন। ছোটো বেলা থেকেই সব কিছুতেই প্রথম হওয়ার জেদটা ছিল চলনে মননে।টেস্ট পরীক্ষায় ৬৭৯ নম্বর পাওয়ার পর মা বাবাকে সে কথা দিয়েছিল যে আসল পরীক্ষায় তাক লাগাবেই।কথা রেখেছে শ্রেয়সী। খুশির আবেগে ভাসছে গোটা পরিবার।মা বিশাখা পাল জানিয়েছেন “সব সময় বলতো এক থেকে দশের মধ্যে থাকবে।ওর জেদ লক্ষ্য করে আমাদের মানসিক প্রস্তুতি ছিলই।তবে দ্বিতীয় হবে তা সত্যিই ভাবিনি।” বাবা শ্যামা প্রসাদ পাল জানিয়েছেন “বরাবরের জেদি মেয়েটা আমাদের সত্যিই মুখ উজ্জ্বল করেছে।” তিনি বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ। তাঁর পেনশনের সামান্য কটা টাকাতেই চলে সংসার।পড়াশোনা ছাড়া আর কোনো চাহিদাই ছিল না শ্রেয়সীর।সে জানায় “চিকিৎসা বিজ্ঞান নিয়ে পড়ে ডাক্তার হতে চাই।আমাদের এলাকার গরীব মানুষদের দেখে খুব কষ্ট হয়।চিকিৎসক হয়ে দেশে এবং রাজ্যে থেকেই আর্তের সেবা করার ইচ্ছে আছে ভবিষ্যতে। আজকের রাজনীতি আমাকে টানে না।পড়াশোনা, আবৃত্তি, নাচ,ছবি আঁকা আর ক্রিকেট নিয়ে এই তো বেশ আছি।রাজনীতির ওই কুটকচালিতে গিয়ে কী লাভ?” মার্কসিট আনতে স্কুলে গিয়ে সহপাঠী আর শিক্ষিকাদের সাথে নিজের সাফল্যের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছে ওই কৃতী। প্রশাসনিক শুভেচ্ছা থেকে জনপ্রতিনিধি, সবাই কুর্নিশ জানিয়েছেন শ্রেয়সীকে।ফালাকাটা গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শিপ্রা সাহারায় দেব জানিয়েছেন “শ্রেয়সীর এই সাফল্য আমাদের দায়িত্ব অনেক বাড়িয়ে দিলো।বিশ্বাস করুন ওর ওই সাফল্যের পেছনে ৯৮ শতাংশ কৃতিত্বই ওর নিজের, আমরা শুধু দিশা দেখিয়েছি মাত্র।ভীষণ গর্ব হচ্ছে।” ফালাকাটার মত জনপদে এই প্রথমবার কেউ মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় জায়গা করে নিলো আর নতুন জেলা আলিপুরদুয়ারে এই প্রথম দ্বিতীয় হয়ে নজির গড়লো শ্রেয়শী পাল। 
অপরদিকে ,মহানগর ও শহর ছাড়িয়ে এবারের মাধ্যমিকের ফলে জয়জয়কার হয়েছে মফস্বলের।তাতে সব থেকে বেশি সফল রাজ্যের নতুন জেলা আলিপুরদুয়ার। ওই জেলাতেই একদিকে যেমন মাধ্যমিকে যুগ্ম দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে শ্রেয়সী । অন্যদিকে তেমনি , চতুর্থ স্থানে রয়েছে বারোবিশা হাইস্কুলের অরিত্র সাহা (৬৮৭) এবং নবম শিলবাড়িহাট হাইস্কুলের জয়েশ রায় (৬৮২)। ইতিপূর্বে জেলা আলিপুরদুয়ারে এমন চমকপ্রদ ফলাফলের নজির নেই।শহরের বাইরের জনপদে থেকেও যে তাক লাগানো রেজাল্ট করা যায়, তা এবার প্রমান করেছে ওই তিন কৃতী ।আর মাত্র এক নম্বর কম পাওয়ার দরুন প্রথম দশের মেধা তালিকায় ঠাঁই হয়নি বারোবিশার অরিত্রের জমজ ভাই অরিণের।মাধ্যমিকে যুগ্ম দ্বিতীয় শ্রেয়সী পাল জানিয়েছে “ইচ্ছে থাকলে অন্তত পড়াশোনার ক্ষেত্রে গ্রাম অথবা শহর কোনো বাধা হতে পারে না।ইচ্ছেটাই মানুষকে সাফল্যের দিকে টেনে নিয়ে যায়।” চতুর্থ অরিত্র সাহা বলেছে “নিউরোলজি ও ক্যানসার নিয়ে গবেষণা করতে চাই।আর গনতান্ত্রিক দেশের নাগরিক হিসেবে রাজনীতি নিয়ে অবশ্যই চর্চা করি।চাই যাঁরাই জিতবেন, তাঁরা উন্নয়ন আর মানুষের কথাটা মাথায় রাখবেন।আইপিএলটা চুটিয়ে উপভোগ করেছি।সামনেই ক্রিকেট বিশ্বকাপ।জমিয়ে দেখতে হবে।সঙ্গে পড়াশোনাটাও চলবে।মাধ্যমিকের আগে সাত ঘন্টা পড়েছি।তবে এতো কিছুর মধ্যে ভাইয়ের জন্যে খারাপ লাগছে।মাত্র এক নম্বরের জন্য প্রথম দশের মেধা তালিকায় জায়গা পেলো না।তাহলে সাফল্যটা অনেক বেশি উপভোগ করা যেতো।” সাধারণ ব্যবসায়ী পরিবারের ছেলে অরিত্র। মাধ্যমিকে নবম স্থান দখল করেছে আলিপুরদুয়ারের ছোটো জনপদ পলাশবাড়ীর জয়েশ রায়।জানিয়েছে “পড়াশোনার সাথে সাথে ক্রিকেট ও ব্যাডমিন্টনে আমার ভীষণ আগ্রহ আছে।আমার সাফল্যের পেছনে পরিবার, স্কুল ও গৃহ শিক্ষকদের বড় ভূমিকা রয়েছে।বিজ্ঞান নিয়ে আপাতত পড়তে চাই।পরেরটা পরে ভাববো।রাজনীতি নিয়ে আমার কোন মাথাব্যাথা নেই।”                                

                                                         

]]>
https://the4thcolumn.com/uttar-bango-falakata-shreyosi-second-in-madhyamik-mofoswol/feed/ 0 1083
শালুর জন্মদিন : পালন হলো কেক কেটে ধুমধাম করে : শালু একটি টিয়াপাখি https://the4thcolumn.com/uttar-bango-dhupguri-shalu-birthday-celebration/ https://the4thcolumn.com/uttar-bango-dhupguri-shalu-birthday-celebration/#respond Tue, 21 May 2019 16:44:17 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=1079 নিজস্ব সংবাদদাতা,ধুপগুড়ি , ২১ মে ‘১৯ :-

জন্মদিন । তাও আবার টিয়া পাখির । শুনলে হয়তো অবাক হবেন । কিন্তু কুড়িয়ে পাওয়া একসময় আহত টিয়া পাখির কেক কেটে জন্মদিন পালন করলো জলপাইগুড়ির রায় পরিবার । শুনে অবিশ্বাস্য মনে হলেও ঘটনা সত্যি । রীতিমত নিয়ম নিষ্ঠার সঙ্গে মানুষের মতই কেক কেটে জন্মদিন পালন হলো শালুর । শালু, সেই টিয়া পাখি নাম । আর এই জন্মদিন ঘিরেই উৎসাহিত রায় পরিবার।
ধুপগুড়ি ডাউকিমারী এলাকার বাসিন্দা সুচিত্রা রায় । সে বর্তমানে কলেজ পড়ুয়া । আজ থেকে এক বছর আগে আহত অবস্থায় বাড়ির উঠোনে এসে পড়েছিলো এই ছোট্ট টিয়া পাখিটি । তার পর থেকেই চিত্রার বাড়িতে লালিত পালিত হচ্ছে ছোট্ট টিয়াপাখি টি যার নাম আদর করে সকলে রেখেছে শালু ,জানিয়েছে রায় পরিবার ।

খাঁচা বন্দী পশু পাখি প্রেম বহু সময়ই দেখা যায় । তবে পাখির জন্মদিন পালন , তা বিরল ঘটনা , একমত সকলেই । এক সময় ঝড়ে আহত হয়ে একটি ছোট্ট টিয়া পাখির শাবক এসে পড়েছিল বাড়ির উঠোনে । আর তখনই তাকে বাঁচাতে ভালো বেসে এগিয়ে গিয়েছিলেন সুচিত্রা । বাঁচার আশা ছিল না । তবে সুচিত্রার যত্ন -ভালো বাসার কাছে হার মেনেছে মৃত্যু । তখন থেকেই তার বাড়িতে আস্তানা হয়েছে সেই ছোট্ট টিয়া পাখি টির। আর সেদিন তার নতুন জন্ম বলে ধরে নিয়ে মঙ্গলবার টিয়া পাখিটির প্রথম জন্ম দিন পালন করেছে রায় পরিবার ।

এদিন , দোকানে অর্ডার দিয়ে শালুর জন্য বানানো হয়েছিলো কেক । পরানো হয়েছে সেলিব্রেশন এর সেই টুপি, যা সাধারণত জন্মদিন পালনের সময় শিশুদের মাথায় পরানো হয়ে থাকে । সেই ধরনের ছোট্ট টুপি বানানো হয়েছে শালুর জন্য । ধান দূর্বা দিয়ে তাকে বরণ করে কেক কাটা হয় । তার জন্মদিন ঘিরে দারুন উন্মাদনা ছিল এই রায় পরিবারে । প্রতিবেশিরাও অনেকেই অংশগ্রহণ করেছিলেন এই জন্মদিন অনুষ্ঠানে । মুখ মিষ্টি করানো হয় জন্মদিনে আগত সকলকে ।

সুচিত্রা রায় বলেন , ঝড়ের রাতে উঠোনে এসে পড়েছিল পাখিটি । বাঁচিয়ে তুলি । আদর করে নাম রেখেছি শালু আমরা সকলে । গ্রামের সকলেই তাকে সেই নামেই ডাকে । আর নাম ধরে ডাকলেই সে সাড়াও দেয় । কোথাও লুকিয়ে থাকলে বেরিয়ে আসে । বাড়ির বাধ্য ছেলের মত । সকলের প্রিয় সকলে নাম ধরে ডাকে । যেদিন ওকে আমরা পেয়েছিলাম সেদিন টি ওর জন্ম বলে আমরা ধরে নিয়েছি । আই আজ ওর এক বছর বয়স হলো । সেইজন্য জন্মদিন হিসেবে আমরা পালন করলাম । এই প্রথম জন্ম দিবস পালন করা হলো । কেক কাটা হয় খাওয়ানো হয় । প্রতিবেশীরা অংশগ্রহণ করেন।
তবে শালুকে নিয়ে চিন্তাও রয়েছে সকলের । কখন কুকুর অথবা কোন মানুষ এটাকে ধরে নিয়ে যায় , মেরে ফেলে ,সেই দুঃশ্চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে, জানিয়েছেন সুচিত্রা । পাসওয়াহি এও জানান, বন্যপ্রাণী আইন রয়েছে বন্যপ্রাণী হত্যা করা যাবে না , আবার বন্যপ্রাণীকে ধরে রাখা যাবে না । তাই আমরা শালুকে ছেড়ে রাখি । খোলা আকাশে সে ঘুরে বেড়ায় । নিজের ইচ্ছায় এসেছিল, সেভাবেই বাড়িতে ঘুরে বেড়ায় । শুধু আমরা তাকে নজরে রাখি, যাতে কোনো ভাবে ক্ষতি না হয় ওর ।
এদিন , শালুর জন্মদিন ঘিরে জমজমাট ছিল রায় পরিবার , এই “অন্য জন্মদিন” পালনে মেতেছিলেন পাড়া প্রতিবেশীরাও । তবে , নিজের জন্মদিনের কেক কেটে শালুর মনের অনুভূতি , সেটা ঠিক কতটা , তা অবশ্য অজানাই থেকেছে , মানুষ মহলে ।

]]>
https://the4thcolumn.com/uttar-bango-dhupguri-shalu-birthday-celebration/feed/ 0 1079
স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্কের জের : নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন ঘরজামাই স্বামী https://the4thcolumn.com/uttarbango-balurghat-husband-killed-by-accused-wife/ https://the4thcolumn.com/uttarbango-balurghat-husband-killed-by-accused-wife/#respond Tue, 21 May 2019 10:41:42 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=1071 নিজস্ব সংবাদদাতা, বালুরঘাট, ২১ মে’১৯ :-

অবৈধ সম্পর্কের জেরে স্বামী স্ত্রীর বচসায় স্ত্রীর হাতে খুন হলো স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট থানার অমৃতখন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের চৌ্রাপাড়া এলাকায়। মৃতের নাম দশরথ মার্ডি, বয়স ৪৫ বছর। ঘটনায় আটক করা হয়েছে স্ত্রী মানসী টুডুকে। জানাযায় গত ২০ বছর আগে অমৃতখন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের চৌ্রাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মানসী টুডুর সঙ্গে বিয়ে হয় দামনগরের বাসিন্দা দশরথ মার্ডির। বিয়ের পরথেকেই দশরথ মার্ডি ঘর জামাই হিসাবে মানসীর বাড়িতেই থাকতো। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। এলাকা সুত্রে জানা যায় বিয়ের ২০ বছর পার হলেও মানসীর সঙ্গে এক প্রতিবেশী্র অবৈধ সম্পর্ক তৈরি হয়। ঘটনার জেরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বচসা নিত্যদিন লেগেই থাকতো। এই পরিস্থিতে গতকাল ঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় দশরথ মার্ডির দেহ। দশরথের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বালুরঘাট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষনা করে। অভিযোগ, স্ত্রী মানসী টুডু ধারালো অস্ত্র দিয়ে দশরথের মাথায় আঘাত করে। ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় ছুটে যায় বালুরঘাট থানার পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয় স্ত্রী মানসী টুডুকে। বালুরঘাট হাসপাতালে আজকে মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করা হয় ।

]]>
https://the4thcolumn.com/uttarbango-balurghat-husband-killed-by-accused-wife/feed/ 0 1071
মাধ্যমিক ফলাফলের প্রথম দশের মেধা তালিকায় ৫০ জন : প্রথম -পূর্ব মেদিনীপুর , দ্বিতীয় (যুগ্ম)- কোচবিহার-আলিপুরদুয়ার https://the4thcolumn.com/madhyamik-result-2019/ https://the4thcolumn.com/madhyamik-result-2019/#respond Tue, 21 May 2019 07:41:24 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=1068 নিউজ ডেস্ক , দ্য ফোর্থ কলাম ,২১ মে’১৯ :-

প্রকাশিত হল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল। ফের শিরোনামে রাজ্যের প্রান্তিক জেলা সমূহ । সাফল্যের হার সবচেয়ে বেশি পূর্ব মেদিনীপুরে। কলকাতা দ্বিতীয় স্থানে। তৃতীয় স্থানে পশ্চিম মেদিনীপুর। প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে , প্রথম স্থান থেকে দশম স্থানের ‘মেধা তালিকায় ‘ জায়গা করে নিয়েছে উত্তর ও দক্ষিণের মোট ৫০ জন মেধাবী ছাত্রছাত্রী ।
মোট পরীক্ষার্থী– ১০ লক্ষ ৫০ হাজার ৩৯৭ জন।
পাশের হার ৮৬.০৭%
প্রথম- সৌগত দাস (পূর্ব মেদিনীপুর) মহম্মদপুর দেশপ্রাণ বিদ্যাপীঠ প্রাপ্ত নম্বর – ৬৯৪
দ্বিতীয়- শ্রেয়শী পাল (আলিপুরদুয়ার) প্রাপ্ত নম্বর- দেবস্মিতা সাহা(কোচবিহার) – প্রাপ্ত নম্বর- ৬৯১
তৃতীয়- ক্যামেলিয়া রায় , ব্রতীন মণ্ডল (নদীয়া)৬৮৯ প্রাপ্ত নম্বর
চতুর্থ- অরিত্র সাহা (আলিপুরদুয়ার বারবিষা হাইস্কুল)- ৬৮৭ প্রাপ্ত নম্বর
পঞ্চম- সুকল্প দে- (হুগলি কলেজিয়েট স্কুল ), রুমনা সুলতানা (৬৮৬) কান্দি গার্লস হাইস্কুল – ৬৮৬ প্রাপ্ত নম্বর
ষষ্ঠ- সোহম দে – গোঘাট হাইস্কুল , সাবর্ণী চ্যাটার্জী (রামপুরহাট), সাহিত্যিকা ঘোষ (বর্ধমান বিদ্যার্থী), সুপর্ণা সাহু (রাজজনারায়ণ বালিকা বিদ্যালয়), অঙ্কন চক্রবর্তী (হাওড়া)- ৬৮৫ প্রাপ্ত নম্বর
সপ্তম- গায়ত্রী মোদক- (কোচবিহার ইলাদেবী গার্লস হাইস্কুল), অনীক চক্রবর্তী (ঘাটাল), সপ্তর্ষি দত্ত (নদীয়া)- ৬৮৪- প্রাপ্ত নম্বর
অষ্টম- সাহানওয়াজ আলম (কোচবিহার), , সায়ন্তন বসাক (গঙ্গারামপুর), অর্কপ্রভ সাহানা (বাঁকুড়া), কৌশিক সাঁতরা (বাঁকুড়া), সুদীপ্তা ধবল (বাঁকুড়া), সায়ন্তন দত্ত (বাঁকুড়া জেলা স্কুল), পৃথ্বীশ কর্মকার (বাঁকুড়া), দেবলীনা দাস (আরামবাগ গার্লস হাইস্কুল), অয়ন্তিকা মাঝি (বর্ধমান ), পুস্কর ঘোষ (বর্ধমান, কাটোয়া কাশীরাম দাস ইনস্টিটিউশন), সেমন্তী চক্রবর্তী (আমতলা নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয়, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা) প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর- ৬৮৩
নবম- জয়েশ রায় (আলিপুরদুয়ার) সৌগত পাণ্ডা, শুভদ্বীপ কুণ্ডু (বাঁকুড়া)-, সৌকর্য বিশ্বাস (বীরভূম), প্রত্যুষ করণ (কাঁথি), অরুণীমা ত্রিপাঠী (পূর্ব মেদিনীপুর) অভিনন্দন জানা ()ঐকিক মাঝি- প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর – ৬৮২
দশম- সঞ্চারী চক্রবর্তী (রায়গঞ্জ), সায়ন্তিকা দাস , সৌধ হাজরা , সাখী কুণ্ডু, রিমা চৌধুরী, সৌমদীপ দত্ত, অরিত্র মহড়া, সৌমদীপ ঘোষ, সায়ন্তিকা রায়, শুভদ্বীপ মাঝি (ঝাড়গ্রাম), সহেলি রায়, দেবমাল্য সাহা (রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন), প্রত্যাশা মজুমদার, অঙ্কিতা কুণ্ডু (হাবড়া), সোহম দাস (যাদবপুর বিদ্যাপীঠ)- প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮১.

]]>
https://the4thcolumn.com/madhyamik-result-2019/feed/ 0 1068
কলসী চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে খুন তপনে : আটক তিন। https://the4thcolumn.com/uttar-bango-balurghat-pitiye-khun/ https://the4thcolumn.com/uttar-bango-balurghat-pitiye-khun/#respond Mon, 20 May 2019 17:51:23 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=1064 নিজস্ব সংবাদদাতা, বালুরঘাট, ২০মে’১৯ :-

কলসি চুরির অভিযোগে এক যুবককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল তপনে। রবিবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে তপনের শূলপাণি পুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে মৃত যুবকের নাম সৌমেন হাজদা (৩৫)। বাড়ি বালুরঘাটের রাধানগর এলাকায় হলেও বিয়ের পর থেকে শূলপাণিপুর এলাকায় শ্বশুর বাড়িতেই থাকতো ওই যুবক। ঐদিন রাতে বাড়ি ফেরার সময় এলাকার লোকেরা চোর অপবাদ দিয়ে তাকে বেধড়ক মারধর করে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনার পরেই পরিবারের লোকেদের তরফে এই ঘটনায় জড়িত হিসেবে ১০ জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয় তপন থানায়। অভিযোগ পেয়েই তিনজনকে আটক করে ঘটনার তদন্তে নেমেছে তপন থানার পুলিশ।
তপন থানার ওসি অভিষেক তালুকদার জানিয়েছেন, মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে তিনজনকে আটক করে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, রাধানগর এলাকার বাসিন্দা যোগেশ হাঁসদার মেজো ছেলে সৌমেন হাসদা। বেশ কয়েক বছর আগে তপনের শূলপাণিপুর এলাকায় তার বিয়ে দেন পরিবারের লোকেরা। বিয়ের পর থেকেই সৌমেন তার শ্বশুর বাড়িতেই থাকতো। যেখানে স্ত্রী ছাড়াও দুটি ছেলে ও রয়েছে তার। পেশায় দিনমজুর সোমেন রবিবার ওই এলাকার বাসিন্দা গণেশ মুর্মূ’র বাড়িতে জল খেতে যায়। অভিযোগ ,সেই সময় জল পানের নাম করে পিতলের একটি কলসি চুরি করে নিয়ে পালায় সৌমেন। এরপরে তাকে ধরবার জন্য গনেশ ও তার দলবলেরা তার বাড়িতে যেতেই প্রাণ ভয়ে পালিয়ে যায় সৌমেন। রাতে সকলের নজর এড়িয়ে বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করে সে। এদিকে সন্ধ্যা থেকেই গনেশ ও তার পাড়ার লোকেরা এক প্রকার রাত জেগে অপেক্ষা করছিল সৌমেনকে ধরবার জন্য। রাতের অন্ধকারে বাড়ি ফিরবার পথে তাকে পাকড়াও করে গনেশ ও তার দলবলেরা। বেধড়ক মারধর করবার পাশাপাশি লোহার রডও তার পেটে ঢুকিয়ে দেয় ওই অভিযুক্তরা বলে অভিযোগ। ঘটনার পরে এক প্রকার মৃতপ্রায় অবস্থায় সৌমেনকে তার বাড়িতে ফেলে রেখে চলে যায় গণেশ সহ তার দলবলেরা । এরপরে ওইদিন রাতেই পরিবারের লোকেরা তড়িঘড়ি তাকে তপন হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনার পরেই সৌমেনের পরিবারের লোকেদের তরফে গণেশ, সন্তোষ, রবি লাল সহ এলাকার মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের হয়। পুরো ঘটনাকে ঘিরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সৌমেনের পরিবারে।
মৃত সৌমেনের বাবা যোগেশ হাঁসদা জানিয়েছেন, ছেলে বিয়ের পর থেকেই শ্বশুর বাড়িতে থাকতো। মাঝেমধ্যে তাদের দেখাশোনা করার জন্য আসতো। রাতের অন্ধকারে ছেলেকে চোর আখ্যা দিয়ে গ্রামের লোকেরা সকলে মিলে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। ঘটনা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তিনি চান এর সঠিক বিচার।

]]>
https://the4thcolumn.com/uttar-bango-balurghat-pitiye-khun/feed/ 0 1064
এক লক্ষের বেশি ভোটে জিতব জানিয়ে, তেইশের পরে বিজেপি’কে ‘ছাড়ব না – দেখে নেব’: হুঁশিয়ারি সৌরভের https://the4thcolumn.com/uttar-bango-apd-tmc-vote-meeting/ https://the4thcolumn.com/uttar-bango-apd-tmc-vote-meeting/#respond Mon, 20 May 2019 14:45:12 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=1059 নিউজ ডেস্ক , দ্য ফোর্থ কলাম, ২০ মে ‘১৯ :-

রবিবার রাতের এক্সিট পোলের সিদ্ধান্তে এক পক্ষ যখন আগাম উল্লাসে ব্যস্ত , অন্য পক্ষ তখন বিশ্লেষণ করছেন চুলচেরা ভোট প্রাপ্তির হিসেব নিকেশ , বুথ থেকে জেলাস্তরে । রবিবার রাতে শিলিগুড়িতে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এর বয়ান ছিল, এ রাজ্যে বিজেপি ২৪ টির বেশি আসন বগলদাবা করবে । অন্যদিকে রাজ্যের অন্যান্য জেলার তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে পা মিলিয়ে এক্সিট পোল এর পরপরই ভোট পরিমাপের চুলচেরা বিশ্লেষণে নামে আলিপুরদুয়ার জেলা তৃণমূল । ভোটের আগে আড়াই লক্ষ ভোটের ব্যবধানে একশ শতাংশ জয়ের কথা যারা জানিয়ে দিয়েছিলেন , এক্সিট পোলের পরে সেই সংখ্যা নেমে এলো এক লক্ষের ব্যবধানে । সোমবার আলিপুরদুয়ারের দলীয় কার্যালয়ে, স্থানীয় বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী সহ অন্যান্য জেলা শীর্ষ নেতৃত্বকে পাশে বসিয়ে ,জেলা তৃণমূল সভাপতি মোহন শর্মার জোরালো বক্তব্য, ভোটে আমরা জিতবই। আলিপুরদুয়ার আসনে আমরা জিতবই। ব্যবধান এক লক্ষের কিছুটা বেশি থাকবে । একই ভাবে আত্মবিশ্বাসী দেখিয়েছে প্রার্থী দশরথ তিরকিকেও । ২০১৪ সালের পরিস্থিতির উদাহরণ টেনে তার বক্তব্য , ‘ সেবারও আমার জয় নিয়ে সন্দিহান ছিল অনেকেই । কিন্তু জিতেছিলাম । এবারও জিতব, লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে ‘।

অন্যদিকে ভোটের সময় এবং ভোট পরবর্তী দিনগুলোতে জেলা আলিপুরদুয়ারের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি যথেষ্ট সন্ত্রাসের বাতাবরণ ছড়িয়েছে এই অভিযোগ তুলে সরাসরি ভোট ফলাফলের পরে বিজেপিকে দেখে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আলিপুরদুয়ারের ভূমিপুত্র বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী । ‘আমাদের তৃণমূল কর্মীর উপর বিজেপি আক্রমণ চালিয়েছে এই কয়দিন ধরে । ভোটের পরে আমরা কিন্তু ছাড়ছি না’ , অন ক্যামেরা জানিয়েছেন সৌরভ । পরবর্তীতে এই হুঁশিয়ারি আদপে এক প্রকার হুমকি কিনা সে প্রশ্ন রাখতেই সৌরভের হয়ে ব্যাট ধরেন সভাপতি মোহন শর্মা । তিনি জানান আমরা রাজনৈতিকভাবে এর মোকাবিলা করব ।

এদিন, আলিপুরদুয়ার তৃণমূল জেলা কার্যালয়ে , জেলার বুথ থেকে শুরু করে জেলা স্তরের সকল ছোট বড় মেজ নেতারা একত্রিত হয়েছিলেন । এক্সিট পোল তৃণমূলের বিপক্ষে কথা বললেও জেলা আলিপুরদুয়ার তৃণমূলের এই ঘরোয়া রুদ্ধদ্বার সমাবেশ, তৃণমূলের জয় এর কথাই সামনে এনেছে বলে সূত্রের খবর । তবে সাংবাদিক সম্মেলনে জয়ের ব্যবধান এক লক্ষ কুড়ি হাজার ভোট থাকবে বলে তৃণমূল সভাপতি জেলা সভাপতি জানালেও, দলীয় সূত্রে খবর , জয়ের ব্যবধান ঊর্ধ্বে ৫৮ হাজার থাকবে বলেই উঠে এসেছে সোমবারের তৃণমূলের এই নিজস্ব দলীয় ভোট বিশ্লেষণে ।

]]>
https://the4thcolumn.com/uttar-bango-apd-tmc-vote-meeting/feed/ 0 1059
মাঝরাস্তায় পুলিশী তল্লাশি : ধাক্কায় গাড়ি দুমড়ে দিল লরি : গুরুতর আহত তিন যাত্রী https://the4thcolumn.com/uttar-bango-dhupguri-accident/ https://the4thcolumn.com/uttar-bango-dhupguri-accident/#respond Mon, 20 May 2019 14:02:55 +0000 https://the4thcolumn.com/?p=1056 নিজস্ব সংবাদদাতা,ধূপগুড়ি, ২০ মে’১৯ :-

রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিছনে ধাক্কা মারলো একটি মারুতি ভ্যান । গুরুতর আহত চালক সহ তিন জন । ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ ধূপগুড়ির বাস টার্মিনাসের কাছে । এলাকাবাসী জানান একটি লরি ময়নাগুড়ি দিক থেকে ধূপগুড়ির দিকে আসছিলো । ঠিক তার পেছনেই ছিলো আরেক মারুতি ভ্যান যেটি ধূপগুড়ি ফিরছিলো । প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান , মাঝ রাস্তায় দাঁড় করায় ধুপগুড়ি থানার ট্রাফিক পুলিশ এবং তার কাছ থেকে কাগজ নেন জিজ্ঞাসা বাদ করেন । রাস্তায় দাঁড় করিয়ে দেওয়া পিছন দিক থেকে আসা একটি মারুতি ভ্যান নিয়ন্ত্রন হারিয়ে পিছন দিক থেকে ধাক্কা মারে দাঁড়িয়ে থাকা লরি টিকে ,গাড়ি টি দুমড়ে-মুচড়ে যায় । বিকট শব্দ শুনে আশেপাশের ব্যবসায়ীরা ছুটে আসেন দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটির সামনে । উদ্ধার করা হয় মারুতি ভ্যান চালক অমূল্য রায় (৩২)গাড়ির যাত্রী প্রশান্ত রায়(২৫) এবং অনিমা রায় (৫৩ ) কে । ধুপগুড়ির দমকল কর্মীদের খবর দেওয়া হয় ছুটে আসেন তারা আহত তিনজনকে উদ্ধার করা হয় এবং নিয়ে যাওয়া হয় ধূপগুড়ি হাসপাতালে সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা চলে । মারুতি ভ্যান চালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে স্থানান্তরিত করা হয় জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল ।
এদিকে দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ি টিকে উদ্ধার করে ধুপগুড়ি থানার পুলিশ । তবে মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা লরি, সেটি খুঁজে পাওয়া যায় নি । তবে লরিটির খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে ধুপগুড়ি থানার পুলিশ ।
প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ ধুপগুড়ি থানার পুলিশ আচমকা গাড়িটিকে মাঝ রাস্তায় দাঁড় করানোয় পিছনে থাকা গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে এবং এর ফলে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে । কি করে পুলিশ মাঝরাস্তায় হুট করে দায়িত্ব জ্ঞানহীন ভাবে গাড়ি তল্লাশির নামে একটি গাড়িকে দাঁড় করিয়ে দিল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ।

]]>
https://the4thcolumn.com/uttar-bango-dhupguri-accident/feed/ 0 1056