নিউজ ডেস্ক , দ্য ফোর্থ কলাম, ১৯ ডিসেম্বর’১৯ :-

বুধবার রাতে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া দ্বারা কার্যত সরিয়ে দেয় মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ । তিনি এমন আমেরিকান প্রধান কার্যনির্বাহীদের তালিকায় তৃতীয় যারা সংবিধানের চূড়ান্ত প্রতিকারের অধীনে উচ্চ অপরাধ ও অপকর্মের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু, ডনাল্ড জে ট্রাম্পের আগে আর কোনো মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে ইমপিচড হতে হয়নি।
বিপক্ষীয় ডেমোক্রেট দলের প্রতিদ্বন্দী জো বিডেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে ইউক্রেনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ।এইভাবে প্রেসিডেন্ট তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে ।
ডেমোক্র্যাটিক-নেতৃত্বাধীন হাউসে ইমপিচমেন্টের পক্ষে ভোট পড়েছে ২৩০, বিপক্ষে ১৭৭। যদিও তার বিরুদ্ধে সবরকম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ট্রাম্প। হাউসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসিকে চিঠি লিখে এই ইমপিচমেন্ট পদ্ধতিকে ‘বিকৃত বিচার’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং তিনি যে এই বিচারের ‘শিকার’ হয়েছেন, এমনটাও উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও, এখন পরবর্তী বিচারের জন্য রিপাবলিক সংখ্যাগরিষ্ঠ সেনেটে যাবে বিষয়টি। হাউসে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগুরু হলেও সেনেটে আধিপত্য ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির।
এখন, প্রত্যাশা অনুসারে রিপাবলিকান নেতৃত্বাধীন চেম্বার দ্বারা ট্রাম্পকে যদি খালাস দেওয়া হয়, তবে তাকে উদ্দেশ্যমূলক বিঘ্নিত রাষ্ট্রপতি পদে ইমপিচমেন্টের স্থায়ী চিহ্ন বহন করে পুনর্নির্বাচন করতে হবে।
সেনেটে জানুয়ারিতে এই বিচার শুরু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে ।
